• মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
উন্নয়নের জন্য আমাদের সদিচ্ছাই যথেষ্ট: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা খাল খনন উদ্বোধনের পর কর্দমাক্ত অবস্থায় মঞ্চে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী মানবসভ্যতা বাঁচাতে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা অতীব জরুরি: ড. মঈন খান শ্রীঘ্রই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে  কৃষক কার্ড ও হেলথ কার্ড বিতরণ শুরু করা হবে- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বিএনপি এমন দল, যে দল মানুষের উপকার হবে— এমন কাজ করার চেষ্টা করে লোক দেখানো নয়, কৃষকের বাস্তব উপকারে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বকুল অভিনয়ে সাময়িক বিরতি, যুক্তরাষ্ট্রে সময় কাটাচ্ছেন সামিরা খান মাহি সংবিধান সংস্কার পরিষদ বিষয়ে সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে নামবে বিরোধীদল নতুন প্রধানমন্ত্রীর ফেসবুক পেজে যেসব তথ্য পাবেন জ্বালানি তেল নিয়ে ডিসিদের ৯ নির্দেশনা

জ্বালানি তেল নিয়ে ডিসিদের ৯ নির্দেশনা

Reporter Name / ৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন


প্রতিদিন ডিপোর মজুত যাচাই, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতদারদের রোধ, অতিরিক্ত দাম নিলে শাস্তি নিশ্চিত করাসহ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নয়টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অনলাইন মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এসব নির্দেশনা দেন। সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব ও সব জেলা প্রশাসক অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

ডিসিদের দেওয়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ নির্দেশনা— প্রতিদিন ডিপোর প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত যাচাই করে রিপোর্ট প্রদান। ডিপো থেকে পেট্রোল পাম্পে বরাদ্দ করা জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিতকরণ। সব কাস্টমারের (পেট্রোল পাম্প ডিলার, এজেন্সি ডিলার, প্যাকড পয়েন্ট ডিলার ও ডিরেক্ট কাস্টমার) সরবরাহ ও বিতরণ তদারকি করা। পেট্রোল পাম্প বন্ধ হলে, কেন পাম্প বন্ধ তার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান ও ডিপোর সঙ্গে তেল সরবরাহের হিসাব ডাবল চেক করা। অবৈধ মজুতদারি রোধ করা। তেলের ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জ্বালানি তেলের পাচার বন্ধ করা। বেশি দামে যেন জ্বালানি তেল বিক্রি না করতে পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা এবং অপরাধ সংগঠিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা। জেলা পর্যায়ে নজরদারি বৃদ্ধি করা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের কষ্ট যেন না বাড়ে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আন্তরিকভাবে সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে। সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন থেকে আরও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া তিনি বিদ্যুৎ সাশ্রয়কল্পে কিছু নির্দেশনা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। এর মধ্যে রয়েছে- বিপণিবিতানে ও ব্যবসায়ী স্থাপনায় আলোকসজ্জা না করা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি বা তার চেয়ে বেশি রাখা। দোকান বন্ধের পর সাইনবোর্ডের আলো নিভিয়ে রাখা।

প্রতিমন্ত্রী বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। এর আগে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহযোগিতা কামনা করেন। নেতারা আশ্বস্ত করেন, পরস্পরিক আলোচনা ও সমন্বিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দ্রুত শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। 




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts