• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি: ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ইয়াবা সেবনের সময় যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান। মনোহরদীতে খাঁড়াব মুন্সিবাড়ী প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মনোহরদী পৌরসভায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ

ঈদের কেনাকাটা করতে বের হয়ে ছিনতাইকারীর হ্যাচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে মৃত্যু

Reporter Name / ১৫০ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন

[ad_1]

স্বামীকে নিয়ে দর্জির দোকানে গিয়েছিলেন গৃহবধূ মুক্তা আক্তার (২১)। কাপড় দিয়ে বাসায় ফিরে আবার বের হন শেষ মুহূর্তের কিছু কেনাকাটা করবেন বলে। কিন্তু সেই বের হওয়াই হয়ে গেল তাঁর ‘জীবনের শেষ যাত্রা’।  রাজধানীর উত্তরা দক্ষিণ মেট্রো স্টেশনের নিচে ছিনতাইকারীর হেঁচকা টানে অটোরিকশা থেকে পড়ে নিহত হয়েছেন তিনি ।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় মেট্রো স্টেশনের নিচে দিয়ে অটোরিকশা করে মার্কেট থেকে বাসায় ফেরার সময় মুক্তা আক্তারের হাতে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনিয়ে নিতে টান দেয় ছিনতাইকারী। ওই সময় অটোরিকশা থেকে পরে গিয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা মুক্তা আক্তারকে উদ্ধার করে প্রথমে বাংলাদেশ মেডিকেলে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে আহসানুল্লাহ মেডিকেল হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। তবে মুক্তা আক্তারের শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে স্বামী লিমন হোসেন উন্নত চিকিৎসার জন্য দুপুর দেড়টার দিকে ঢামেকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মুক্তা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্বামী লিমন হোসেনের কাছে এখনো যেন সব দুঃস্বপ্নের মতো। সকালে একসঙ্গে বের হওয়া মানুষটি যে আর ফিরবেন না—এটা মেনে নিতে পারছেন না তিনি। লিমন বলেন, সকালে আমরা একসঙ্গে দর্জির দোকানে গিয়েছিলাম। কাপড় দিয়ে বাসায় ফিরি। পরে ও বলে, কিছু জিনিস কিনে আসবে। আধা ঘণ্টা পর খবর পাই—ও আহত। ও খুব খুশি ছিল। বলছিল, ঈদের পরদিন বাবার বাড়ি যাবে। সেই জন্যই কেনাকাটা করতে বের হয়েছিল। ছিনতাইকারীরা আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে। আমি এর বিচার চাই।

মুক্তার গ্রামের বাড়ি বরগুনায়। স্বামীর বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে। উত্তরার আব্দুল্লাহপুরের ফায়দাবাদ এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন তারা। ঈদের পরদিনই বরগুনায় বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল মুক্তার। সেই পরিকল্পনা নিয়েই বেশ কয়েকদিন ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category