• শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলায় কারাগারে হিরো আলম সামনে আমার জন্য কঠিন অগ্নিপরীক্ষা অপেক্ষা করছে: জ্বালানি মন্ত্রী সত্যিকারের হালাল টাকা ইনকাম app – প্রতারণা ছাড়া অনলাইন আয় নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: ত্রাণমন্ত্রী ভোটগ্রহণ শেষ, গণনার অপেক্ষা – একুশের কাগজ দুর্নীতি-সিন্ডিকেটমুক্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ার অঙ্গীকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের ইসি তড়িঘড়ি গেজেট প্রকাশ করে হাত মুছে নিয়েছে: সুজন সম্পাদক জুলাই বিপ্লবে আসা পরিবর্তন আজ বাস্তবে রূপ নেবে: জামায়াত আমির রাষ্ট্রব্যবস্থা পুনর্গঠনে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার খেলাপি সদস্যরা কবে ঋণ পরিশোধ করবেন?

ইসি তড়িঘড়ি গেজেট প্রকাশ করে হাত মুছে নিয়েছে: সুজন সম্পাদক

Reporter Name / ২ Time View
Update : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন


সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তদন্ত করেনি। তারা তড়িঘড়ি করে গভীর রাতে গেজেট প্রকাশ করে দিয়েছে। গেজেট প্রকাশ করে তারা হাত মুছে নিয়েছে। তাদের আর কোনো কিছু করার নেই।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে  জাতীয় প্রেস ক্লাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তথ্য উপস্থাপন করতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সুজনের তথ্যে বলা হয়েছে, নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জনের মধ্যে ১৪৭ জন ঋণগ্রহীতা। শতাংশের হিসাবে যা প্রায় ৫০ শতাংশ। তাঁদের মধ্যে পাঁচ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন ৩৬ জন। আর ১২৬ জনই বিএনপি থেকে নির্বাচিত। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এই নির্বাচনে ঋণগ্রহীতার হার বেড়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই হার ছিল ৪৫ শতাংশ।

বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন, যাঁরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অযোগ্য, তাঁরা যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, তাহলে নির্বাচনী ফলাফলের সমীকরণ বদলে যায়। তখন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তিনি বলেন, যখন এ রকম প্রশ্ন ওঠে, তখন নির্বাচন কমিশন তদন্ত করতে পারে। তদন্ত করে ফলাফল বাতিলও করতে পারে। আবার নতুন নির্বাচনের নির্দেশ দিতে পারে তারা। এই নির্বাচনেও এই প্রশ্নগুলো উঠেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তদন্ত করেনি। তারা তড়িঘড়ি করে গভীর রাতে গেজেট প্রকাশ করে দিয়েছে।

সুজন সম্পাদক বলেন, নির্বাচনের আগে অনেকের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ ছিল। তাঁরা আদালত থেকে ‘স্টে অর্ডার’ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। এ ছাড়া দ্বৈত নাগরিকের বিষয় নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছে। এ রকমও অভিযোগ উঠেছে যে অনেকে দ্বৈত নাগরিক এবং তাঁরা প্রয়োজনীয় নথি না দিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ পেয়েছেন। এসব বিষয়ে তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নিয়ে তারপর গেজেট প্রকাশ করতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছিল। নির্বাচনের পরে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সুষ্ঠু হয়েছে কি না, সেটি ‘সার্টিফাই’ করারও সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটা পালন করেনি। তবে এখনো সুযোগ আছে। আরপিওর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে, যদি হলফনামা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে, কোনো অভিযোগ ওঠে, তাহলে গেজেট প্রকাশের পরেও এটা তদন্ত করে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তারা নির্বাচনও বাতিল দিতে পারবে।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts