
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি (৪০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ওসমান গনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ পরিচালনার সময় একদল সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার সন্ত্রাসীরা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। এ সময় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তার মৃত্যু হয়।
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, “এই নির্মম হত্যাকাণ্ড আমাদের সবাইকে মর্মাহত করেছে। আমি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই, দ্রুত হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকার মাধ্যমে ওসমান গনির পরিবার সুষ্ঠু বিচার পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে নিহত ওসমান গনির পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয় এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়।