• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে জলাবদ্ধতা, অসমাপ্ত কালভার্ট পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার ভৃমি মো সজিব মিয়া। নোয়াখালীতে আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না: গ্রেফতার মনোহরদীর কুখ্যাত ‘নয়ন ডাকাত মনোহরদীতে শিশুকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে জনতার হাতে আটক মনোহরদীতে দুই মিষ্টি ব্যবসায়ীকে জরিমানা মনোহরদীতে ১ম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন, র‍্যালি, আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ

হাসিনার ‘শেখপন্থী’ সাংবাদিক-লেখকদের প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে: প্রেস সচিব

Reporter Name / ১১৯ Time View
Update : বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতায় ফিরতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে শেখ হাসিনা দেশের অভ্যন্তরে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে একদল ‘শেখপন্থী’ সাংবাদিক, লেখক ও ঘনিষ্ঠমহল গড়ে তুলেছিলেন। সেই প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে প্রেস সচিব এ মন্তব্য করেন।

প্রেস সচিব বলেন, এটি ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে শেখ হাসিনা ও তার ঘনিষ্ঠমহল লাখ লাখ ডলার ব্যয় করে এক বিস্তৃত জনসংযোগ (পিআর) প্রচারণা চালাচ্ছেন। যার উদ্দেশ্যে তার ভূমিকা পুনর্লিখন, বিশেষ করে তার শাসন জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকালে শত শত তরুণকে কেমন নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল তা গোপন করা। শেখ হাসিনা একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং কিছু ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এমনকি তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে। যার মাধ্যমে তারা একজন গণহত্যাকারীকে সক্রিয়ভাবে প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে। তারা জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের জুলাই হত্যাযজ্ঞবিষয়ক কঠোর তদন্ত প্রতিবেদনটি পড়ার কষ্টটুকুও করেনি।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার উদ্দেশ্য পরিষ্কার। তিনি জানেন যে জুলাই হত্যাযজ্ঞে তার ভূমিকা নিয়ে আদালতের রায় আসন্ন এবং দোষী সাব্যস্ত হলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার প্রাসঙ্গিকতা চিরতরে শেষ হয়ে যাবে। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগীদের ছড়ানো বিভ্রান্তি ও সন্দেহ সত্ত্বেও আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত নির্বাচন যথানিয়মে অনুষ্ঠিত হওয়ার পথে রয়েছে। নির্বাচন হওয়ার পর, সেই সঙ্গে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বাংলাদেশ ইতিহাসের নতুন পাতা উল্টাবে। শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও এর নেতৃত্ব অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে।

 শফিকুল আলম বলেন, এটা আশ্চর্যজনক নয় যে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে অস্থির আচরণ করছেন। যেন শ্রাবণ মাসের পথের কুকুরের মতো। চেষ্টা করছেন রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পাওয়ার। কিন্তু নতুন বাংলাদেশের মানুষ তাদের অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে: কোনো গণহত্যাকারী আর রাজনীতি করার সুযোগ পাবেন না। এমন ব্যক্তিদের একমাত্র স্থান কারাগার বা আদালতের বিচারে নির্ধারিত হলে ফাঁসির মঞ্চ। দীর্ঘদিন ধরে শেখ হাসিনা দেশের অভ্যন্তরে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে একদল ‘শেখপন্থী’ সাংবাদিক, লেখক ও ঘনিষ্ঠমহল গড়ে তুলেছিলেন। সেই প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে। তারা যে বয়ান নির্মাণ করেছিলেন তা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অভ্যুত্থানে ভেসে গেছে। এখন শেখ হাসিনা আলোচনার কেন্দ্রে ফিরতে মরিয়া চেষ্টা হিসেবে বিদেশি পিআর সংস্থা ও আইনি পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানে অর্থ ঢালছেন। এটাও ব্যর্থ হবে। বিশ্ব জানে তিনি কে- শিশু ও তরুণদের গণহত্যাকারী।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts