• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
বেলাবোতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ আরএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহায়তায় ৭৫টি হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেলেন প্রকৃত মালিকরা – IPCSBDPress বাংলাদেশ ব্যাংক যথেষ্ট স্বাধীন, আইন সংশোধন এ সরকারের মেয়াদে বাস্তবসম্মত নয় বাসস এমডির পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ডিআরইউ’র বিকাশ-নগদ-রকেটে ১০০০-এর বেশি লেনদেন করা যাবে না, দিনে লেনদেন ১০ বার ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার রাজনীতি আর চলবে না: আমির খসরু সাদা নয়, রঙিন ফুলকপিই বেশি স্বাস্থ্যকর নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাজশাহীতে যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ – IPCSBDPress বাংলাদেশের বিচারের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ: চীফ প্রসিকিউটর একটি দল বলছে ১২ তারিখ পর্যন্ত চাঁদাবাজি করা যাবে না, মানে পরে শুরু হবে: আসিফ মাহমুদ

সীমান্ত পেরিয়ে নির্দেশ, ঢাকায় স্লিপার সেল—হাদি হত্যা তদন্তে ভয়াবহ তথ্য – IPCSBDPress

Reporter Name / ১৫৮ Time View
Update : সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন


আপডেটঃ ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ২০, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে এ হত্যার নেপথ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম উঠে এসেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে অর্থ ও অস্ত্রের জোগানসহ পুরো কিলিং মিশনের মূল পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন তিনিই।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শাহীন চেয়ারম্যান একা নন, এ হত্যাকাণ্ডে তার সহযোগী হিসেবে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছে, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতারাও রয়েছেন। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, হাদির ওপর হামলার পর ঘাতকদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে নিরাপদে পালাতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। বর্তমানে তাকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, জুলাই বিপ্লবে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। দলের শীর্ষ মহলে তাকে সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং সেই প্রেক্ষাপটেই হাদিকে হত্যার জন্য একটি ‘হিটলিস্ট’ তৈরি করা হয় বলে গোয়েন্দা বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধজগতের অতীতও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন এবং একসময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পুলিশের নথিতে তিনি একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে তালিকাভুক্ত থাকলেও দীর্ঘদিন ধরেই ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই প্রভাব-প্রতিপত্তি কাজে লাগিয়েই তিনি একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। শুরুতে আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাস ধরে তিনি আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা আওয়ামী লীগের স্লিপার সেল সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে হত্যাসহ নাশকতামূলক পরিকল্পনা সমন্বয় করছিলেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও এসএমএসের সূত্র ধরে হাদি হত্যায় শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল হামিদের সঙ্গে হামলাকারীদের ঘটনার আগে ও পরে একাধিকবার যোগাযোগের তথ্যও উদ্ধার হয়েছে। এ ছাড়া ভারতে অবস্থানরত আরও কিছু গ্রুপ অ্যাপের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, সব দিক বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত চলছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট সব পরিকল্পনাকারীর পরিচয় স্পষ্ট হবে।

IPCS News : Dhaka :


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts