• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন |
  • English Version

বিমান খাতে ন্যায্যতা ফিরিয়ে আনতে যেকোনো বাধা অতিক্রম করতে প্রস্তুত

Reporter Name / ১৫৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন

[ad_1]

পর্যটন উপদেষ্টা

বিমান খাতে দীর্ঘদিন ধরে ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ বিরাজমান রয়েছে। দেশের বিমান খাতে ন্যায্যতা ফিরিয়ে আনতে যেকোনো বাধা অতিক্রম করতে প্রস্তুত উল্লেখ করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশীরউদ্দিন বলেছেন, যখন আমি বেসামরিক বিমান চলাচলের এই দায়িত্ব নিয়েছিলাম এবং এর চারপাশে অপরাধের মাত্রা লক্ষ্য করেছিলাম, যা আমাকে খুব দুঃখিত করেছিল। আমি জানি, অনেক মানুষ আমার আনা পরিবর্তনগুলো পছন্দ করে না, কিন্তু অপ্রয়োজনীয় সমালোচনা ছড়িয়ে কোনও উদ্দেশ্য অর্জন করা যাবে না।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা-জেদ্দা রুটে কার্যক্রম শুরু করা সৌদি আরবের নতুন স্বল্পমূল্যের বিমান সংস্থা ফ্লাইএডিল’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিয়ান, ফ্লাইএডিল’র সিইও স্টিভেন গ্রিনওয়ে এবং এভিয়ান্স বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান জাহান।

দেশের বিভিন্ন বিমান সংস্থার মূল্য নির্ধারণ নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিমান খাতের অপরাধপ্রবণতার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টদের হুঁশিয়ার করে পর্যটন উপদেষ্টা বলেন, এই প্রবণতাকে অবশ্যই নির্মূল করতে হবে। আমি জানি ফ্লাইএডিল একটি স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশে স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইনের ভাড়া লিগ্যাসি এয়ারলাইনের তুলনায় বেশি। এটি আমার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা এবং আমি এটি চাই না। স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইনগুলো বিমানে এক গ্লাস পানিও দেয় না। দিলেও যাত্রীকে টাকা দিতে হয়। তাহলে আপনারা মূল্য নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক হবেন না কেন? অতিরিক্ত এই টাকাটা কে নিচ্ছে? আমি এই টাকার গতিপথ খুঁজে বের করতে চাই এবং সমস্যার সমাধান করতে চাই। দেশের প্রধান বিমানবন্দরের সক্ষমতা মাত্র আট মিলিয়ন যাত্রী হলেও সেখানে বছরে প্রায় ১৩ মিলিয়ন যাত্রী চলাচল করে। নতুন টার্মিনাল চালুর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। বাজার স্থিতিশীল করা ও ভাড়ার অস্থিরতা কমাতে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থার বেশি অংশগ্রহণ এবং ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

প্রবাসী শ্রমিকদের প্রসঙ্গে আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে উপদেষ্টা বশীরউদ্দিন বলেন, অনেক শ্রমিক অতিরিক্ত বিমানভাড়া ও অভিবাসন খরচের ঋণের কারণে বছরের পর বছর দেশে ফিরতে পারেন না। আমাদের প্রবাসী শ্রমিকরা পরিবার-পরিজন ছেড়ে বছরের পর বছর কষ্ট করে কাজ করে। কিন্তু তারা দেশে ফিরতে পারে না। ঋণ নিয়ে যায়, আর পরিবারের কাছে ফেরার টিকিট কেনার কথাও ভাবতে পারে না-এটি আমাকে সত্যিই ব্যথিত করে। এই পরিশ্রমী মানুষগুলো তাদের নিজের দেশে শ্বাস নিতেই পারে না। তারা কঠোর পরিশ্রম করে, পরিবার থেকে দূরে থাকে, ঋণ নেয়, আর আমরা তাদের সঙ্গে যে আচরণ করি তা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। ভ্রমণকারীদের জন্য সাশ্রয়ী ভাড়া ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিমান সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts