
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানিসম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, নির্বাচনে পরাজিত শক্তি বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তবে সেটিকে মোকাবিলা করতে হবে। জনগণ পরাজিত শক্তির পক্ষে নেই। চ্যালেঞ্জগুলো জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। ভোটের সময় বিভিন্ন জায়গায় কিছুটা রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকে। সরকার আশা করছে, নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, উৎসবমুখর ও অংশগ্রহণমূলক। ভোটের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় জনগণ, সরকার ও গণমাধ্যম একসঙ্গে কাজ করবে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সিলেট প্রেসক্লাবে পিআইবি আয়োজিত নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা–বিষয়ক প্রশিক্ষণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, তথ্যসচিব মাহবুবা ফারজানা ও সিলেট প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নূর। সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কর্মশালায় ৫০ সাংবাদিক অংশ নেন।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, আমরা যে ভোটের আয়োজন করছি, তা প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পরে। মনে রাখতে হবে, একটা স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা থাকলে সব ব্যবস্থায় তার লোকজন ঢুকে পড়ে। মনস্তত্ত্বও এমন হয়ে যায়। তার বিপরীতে দাঁড়িয়ে আমরা এই নির্বাচন আয়োজন করছি গণ–অভ্যুত্থানের শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে। সেখানে পরাজিত শক্তি কিছু বাধা সৃষ্টি করতে পারে। সেই বাধাগুলো মোকাবিলা করতে হবে।’
বিভিন্ন গণমাধ্যমে হামলা ও মব–সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, আমার বাসার সামনেও ককটেল ফাটিয়েছে। এতে কি আমি বাহিনী নিয়ে এখানে এসেছি? অপশক্তিকে শুভশক্তি দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। অপশক্তির কয়জন আছে? প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার আবার চালু হয়ে গেছে। তারা কি তাদের অফিসে আগুন লেগেছে বলে আর কাজ করবে না? তারা বসে নেই। সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা আবার চালু হয়ে গেছে। এই ফাইটিং ব্যাকের স্পিরিটটা থাকতে হবে।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বিগত ১৬ বছরে যে পরিমাণ নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছেন, এবার তার কিছু অংশও কি মুখোমুখি হয়েছেন? সেই কথাগুলো মানুষের কাছে তুলে ধরুন। মানুষের মধ্যে আশা জাগান। ভোটের সময় বিভিন্ন জায়গায় কিছুটা রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকে। সরকার আশাবাদী, তা উতরে যাবে। এ জন্য প্রথম থেকেই সরকার কাজ শুরু করেছে।