• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
বেলাবোতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ আরএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহায়তায় ৭৫টি হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেলেন প্রকৃত মালিকরা – IPCSBDPress বাংলাদেশ ব্যাংক যথেষ্ট স্বাধীন, আইন সংশোধন এ সরকারের মেয়াদে বাস্তবসম্মত নয় বাসস এমডির পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ডিআরইউ’র বিকাশ-নগদ-রকেটে ১০০০-এর বেশি লেনদেন করা যাবে না, দিনে লেনদেন ১০ বার ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার রাজনীতি আর চলবে না: আমির খসরু সাদা নয়, রঙিন ফুলকপিই বেশি স্বাস্থ্যকর নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাজশাহীতে যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ – IPCSBDPress বাংলাদেশের বিচারের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ: চীফ প্রসিকিউটর একটি দল বলছে ১২ তারিখ পর্যন্ত চাঁদাবাজি করা যাবে না, মানে পরে শুরু হবে: আসিফ মাহমুদ

নির্বাচনে অপরাজিত থাকার অনন্য রেকর্ড খালেদা জিয়ার

Reporter Name / ১৩০ Time View
Update : সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে কখনোই পরাজিত হননি। বগুড়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও খুলনায় ভোটের মাঠ বদলেছে, কিন্তু ফলাফল বদলায়নি। পাঁচ নির্বাচনে মোট ২৩টি আসন থেকে প্রার্থী হয়ে প্রতিটিতেই জিতেছেন। ব্যালট পেপারে তাঁর নাম মানেই যেন জয়ের নিশ্চয়তা।

বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী রেকর্ডের সঙ্গে কেউ পাল্লা দিতে পারেনি। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত পাঁচটি জাতীয় নির্বাচনে তিনি কখনো পরাজয়ের মুখ দেখেননি।

১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি করে আসনে প্রার্থী হয়ে জয় পান। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবগুলোতেই বিজয়ী হন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রার্থী করা হয় খালেদা জিয়াকে। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল যে তিনি সেরে উঠবেন। কেবল সেই আস্থা থেকেই তাকে প্রার্থী করা হয়। এমনকি লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থাতেও বিএনপির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী ছিলেন খালেদা জিয়া।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক জাগরণের সঙ্গে তাল মিলিয়েই তাঁর রাজনৈতিক উত্থান। ১৯৮১ সালে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর সৃষ্ট পরিস্থিতি খালেদা জিয়াকে দৃশ্যপটের বাইরে থেকে একবারে রাজনীতির ‘হাইওয়ে’তে নিয়ে আসে। এর আগে নিতান্তই একজন গৃহবধূ ছিলেন খালেদা জিয়া।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া ৭, ঢাকা ৫, ঢাকা ৯, ফেনী ১ ও চট্টগ্রাম ৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পাঁচটিতেই জয় শেষে তিনি ফেনী ১ আসনটি রেখে বাকি চারটি আসন ছেড়ে দেন।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া ৬, বগুড়া ৭, ফেনী ১, লক্ষ্মীপুর ২ এবং চট্টগ্রাম ১ আসনে লড়েন। পাঁচটি আসনের প্রত্যেকটিতে বিজয়ের পর তিনি ফেনী ১ আসনটি নিজের জন্য রেখে বাকীগুলো ছেড়ে দেন।

২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া ৬, বগুড়া ৭, ফেনী ১, লক্ষ্মীপুর ২ এবং চট্টগ্রাম ১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এবারও পাঁচটি আসনের সবগুলোতে বিজয়ী হয়ে শেষ পর্যন্ত বগুড়া ৬ আসনটির প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নেন।

সবশেষ, ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া ৬, বগুড়া ৭ এবং ফেনী ১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনটিতেই জয় পেয়ে তিনি ফেনী ১ আসনটি নিজের জন্য রাখেন।

তাঁর নির্বাচনী ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- বগুড়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও চট্টগ্রামের আসনগুলোতেই তিনি সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ১৯৯১ সালে তিনি ঢাকার একটি আসন থেকে এবং ২০০১ সালে খুলনার একটি আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, কেবল বিজয়ী হওয়া নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে তাঁর ভোটের ব্যবধানও ছিল উল্লেখযোগ্য।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts