• শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন |
  • English Version

নরসিংদীর করিমপুরে ছাত্রলীগ বিএনপি একেই মঞ্চে

Reporter Name / ১২২ Time View
Update : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন


নরসিংদীর করিমপুরে একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা একই মঞ্চে অবস্থান নেওয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের পঞ্চবটি রসুলপুর হাই স্কুল মাঠে ‘আন্তঃ চর সিক্স-এ-সাইড ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫’ এর আয়োজন করা হয়। এই টুর্নামেন্টের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান কাজল এবং সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আজগর। অন্যদিকে, টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন নজরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাদেক মুক্তার।

রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন মেরুতে থাকা এই দুই দলের নেতাদের একই মঞ্চে পাশাপাশি বসার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে, যে সাদেক মুক্তারকে উদ্বোধক হিসেবে রাখা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে এলাকায় জোরপূর্বক জমি দখল, মাদক বিক্রি ও ৫ই আগস্টের ছাত্র আন্দোলনের সময় সরাসরি ছাত্র-ছাত্রীদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

অনেকেরই ধারণা, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের পুনর্বাসনের জন্যই এই ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। এ ঘটনায় তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপি কর্মীরা ক্ষুব্ধ। তারা অবিলম্বে এই নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন এবং সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহির কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, করিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান কাজল জানান যে, অতিথিদের তালিকা করা আয়োজকদের বিষয়, তাই তিনি অন্য কোনো অতিথির ব্যাপারে খোঁজ রাখেননি।

অন্যদিকে, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আজগর বলেন যে, উদ্বোধক হিসেবে যিনি ছিলেন, তিনি যে ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন, তা তিনি জানতেন না। তার পিতার অসুস্থতা ও মৃত্যু নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি অতিথিদের তালিকা সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। তবে, আসাদুজ্জামান কাজলের সাথে কথা বলার পরপরই ছাত্রদলের এক নেতা, সাব্বির ভূঁইয়া, প্রতিবেদকের কাছে ফোন করে আসাদুজ্জামান কাজলের পক্ষে সাফাই দেন। এতে বোঝা যায় যে, তিনি সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানাতেই ফোন দিয়েছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts