• সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে ওযু করার সময় বজ্রপাতে ৩ মাদ্রাসা ছাত্র নিহত আহত ১ বন্দরে অপহৃত সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ৪ দিনেও উদ্ধার হয়নি সংস্কৃতি মঞ্চ নেত্রকোণার আয়োজনে বাংলা ভাষার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ নিয়ে মুক্ত আলোচনা – IPCSBDPress যুবদল নেতা সজিবকে নেয়া হয়েছে ঢাকা ডিবি কার্যালয়ে  জেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তি ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান ফতুল্লায় আওয়ামীলীগ নেতা সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার নাসিক প্রশাসকের সঙ্গে চায়না হারবারের মতবিনিময়, মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের আশ্বাস নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে ১০ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বা–সেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ – IPCSBDPress খায়রুল ইসলাম সজীবকে যুবদল থেকে বহিষ্কার বন্দরে ওয়ারেন্টভুক্ত ২ আসামি গ্রেপ্তার

দুবাই এয়ারশোতে তেজস বিধ্বস্ত, প্রশ্নের মুখে ভারতের যুদ্ধবিমান প্রকল্প – IPCSBDPress

Reporter Name / ১৩৫ Time View
Update : সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন


আপডেটঃ ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ | নভেম্বর ২২, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ

দুবাই এয়ারশোতে ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এই বিমান প্রকল্প নিয়ে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সাম্প্রতিক এ ঘটনা কেবল প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষা প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হাল) এবং অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির যৌথ উদ্যোগে তৈরি তেজস যুদ্ধবিমান ছিল ভারতের দীর্ঘদিনের জাতীয় গর্বের প্রকল্প। ২০২১ সালে ভারতীয় বিমানবাহিনী তেজস এমকে–১এ ভ্যারিয়েন্টের ৮৩টি বিমান কেনার জন্য প্রায় ৬.৫ বিলিয়ন ডলারের সমমূল্যের চুক্তি করে। এতে প্রতিটি বিমানের দাম দাঁড়ায় আনুমানিক ৪৩ মিলিয়ন ডলার, আর ট্রেইনার ভ্যারিয়েন্টের মূল্য নির্ধারিত ছিল প্রায় ৩৯ মিলিয়ন ডলার।কিন্তু নতুন অর্ডারের সঙ্গে ব্যয় বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। ২০২৫ সালে আরও ৯৭টি তেজস এমকে–১এ বিমান কেনার জন্য ভারতের সর্বশেষ চুক্তির মূল্য ধরা হয়েছে ৭.৮ বিলিয়ন ডলার। এতে প্রতিটি বিমানের সম্ভাব্য দাম প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা মূল্যস্ফীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির ফল হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

তেজসকে আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করার পরিকল্পনা রয়েছে হালের। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিটি তেজস যুদ্ধবিমানের সম্ভাব্য রপ্তানি মূল্য হতে পারে প্রায় ৪৩ মিলিয়ন ডলার। তবে দুবাইয়ের মতো আলোচিত আন্তর্জাতিক এয়ারশোতে দুর্ঘটনা ঘটার পর বিদেশি ক্রেতাদের আগ্রহ কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

একসময় সাশ্রয়ী মূল্যের দেশীয় যুদ্ধবিমান হিসেবে তেজস প্রকল্পকে বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু এখন এই বিমান নিরাপত্তা এবং ব্যয়-সাশ্রয় উভয় দিক থেকেই কঠোর পর্যালোচনার মুখে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভারত যদি বিমানবাহিনীর আধুনিকীকরণ এবং প্রতিরক্ষা রপ্তানির লক্ষ্য পূরণ করতে চায়, তবে দুর্ঘটনার কারণ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও খরচের যৌক্তিকতার বিষয়ে স্বচ্ছ জবাব দিতে হবে। অন্যথায় তেজস প্রকল্পের ভবিষ্যৎ আরও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে।

IPCS News : Dhaka :


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts