• শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ

ডাকসু নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে, বড় অসঙ্গতি পাওয়া যায়নি

Reporter Name / ৮০ Time View
Update : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন


বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষক দলের সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা। তিনি বলেছেন, অনেক ভোটার ভোট দিয়ে বুথের কলম নিয়ে চলে গেছে, পরে বলপয়েন্ট দিয়ে ভোট দিয়েছে ভোটাররা। এসব ব্যালট মেশিন যদি রিড না করতে পারে তাহলে দায় কার? মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক ব্রিফিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষক দলের পক্ষ থেকে তিনি এ মন্তব্য করেন। অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন জানান, নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বড় কোনো অসঙ্গতি শিক্ষক নেটওয়ার্ক দেখতে পায়নি। 

নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে জানিয়ে সামিনা লুৎফা বলেন, তবে নির্বাচটি কেমন হয়েছে এখন পর্যন্ত তা বলার সময় হয়নি। নানান গুজব-অস্থিরতা আছে। প্রশাসনের কিছু বিষয়ে অব্যস্থাপনাও দেখা গেছে। তথ্যের গ্যাপ এবং ভুল বোঝাবুঝিও দেখা গেছে। সবাই যথেষ্ট পোলিং এজেন্ট পায়নি। অনেকেই পাস পেয়েছেন দেরিতে। কেউ কেউ আবেদন করেও পায়নি। এমন কিছু কিছু ঘাটতি ছিল। দুটি হলের কেন্দ্রে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তারা সমভাবে দায়িত্ব পালন করেননি। কিছু কিছু যায়গায় অস্বচ্ছতা দেখা গেছে। দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ ধীরগতিতে হয়েছে। এছাড়া রোকেয়া হলে সহকারী প্রক্টরের সঙ্গে ছাত্রদলের বাকবিতণ্ডায় ভোটগ্রহণ কমে গেছে। অনেকেই আসেনি।  অনেক কেন্দ্রেই প্রার্থীকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, এর কারণ গেট কিপারদের কাছে যথার্থ তথ্য পৌঁছানো হয়নি। এ ধরনের কিছু অব্যবস্থাপনা না থাকলে আমরা আরও ভরসা নিয়ে এটিকে ভালো নির্বাচন বলতে পারতাম। 

মঙ্গলবার সকাল ৮টায় শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে এই ভোটগ্রহণ। এখন চলছে ভোট গণনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৮টি ও হল সংসদে ১৩ পদে ভোট দেন শিক্ষার্থীরা। নির্বাচনি ইশতেহারে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নানা প্রতিশ্রুতি দেয়া প্রার্থীরাও আশা করেন শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হবে এই নির্বাচন। ডাকসু ও হল সংসদের নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচনের আগের এমন সৌহার্দ্য যেন ফলাফল ঘোষণার পরও বজায় থাকে সেই প্রত্যাশা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।

১৯৯০ সালের পর ২০১৯ সালে দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছিল ডাকসু নির্বাচন। তবে নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে সে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। আবার ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডাকসু নির্বাচন। গত জুলাই মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট ডাকসুর গঠনতন্ত্র আংশিক সংশোধন করে নতুন সময়সূচি ঘোষণা করে। এরপর ১২ আগস্ট প্রকাশিত হয় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। নির্বাচনে ডাকসুর ২৮টি পদের জন্য ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, যার মধ্যে ৬২ জন নারী। পদভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ৪৫ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন, সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নারী প্রার্থীর মধ্যে ভিপি পদে ৫ জন, জিএস পদে ১ জন, এবং এজিএস পদে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন ভোটারের মধ্যে ছাত্র ভোটার ২০,৮৭৩ এবং ছাত্রী ১৮,৯০২ জন।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts