• মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী হলেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল দেশ ও জনগণের স্বার্থই আমাদের কাছে প্রথম: তারেক রহমান কী, কেন এবং কীভাবে? ব্যাখ্যা দিলেন ডা. তাসনিম জারা – IPCSBDPress জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে এনসিপি, ধন্যবাদ জানালেন প্রধান উপদেষ্টা নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে মদনপুরে দিনব্যাপী রান্নার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত জুলাই সনদের নির্দেশনামতে ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে নরসিংদীতে ৫ টি আসনে ৪১ প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত রমজান মাসে নিম্ন ও মাধ্যমিক বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত উপদেষ্টারা পতাকাবাহী গাড়িতে শপথ অনুষ্ঠানে যাবেন, পতাকা ছাড়া ফিরবেন সংখ্যাগরিষ্ঠ জনরায় অমান্য করলে ফ্যাসিবাদের পরিণতি বরণ করতে হবে

জ্বর হলেই ডেঙ্গু পরীক্ষা করুন, দেরিতে হাসপাতালে এলে ঝুঁকি মারাত্মক

Reporter Name / ৮৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

দেরিতে চিকিৎসা নেওয়ার কারণে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের মৃত্যুহার বাড়ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, আজ একদিনেই ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দিনই প্রাণ হারান। চিকিৎসকরা বলছেন, সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা শুরু না করলে ডেঙ্গু দ্রুত জটিল আকার নেয়, ফলে রোগীকে বাঁচানোর সুযোগ কমে যায়।

রোববার (৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. মঈনুল আহসান। তিনি জানান, বেশিরভাগ মৃত্যুর কারণ হচ্ছে হাসপাতালে আসতে দেরি করা। আজ যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে সাতজন ভর্তি হওয়ার দিনই মৃত্যুবরণ করেছেন। একজন পরদিন মারা গেছেন। এটা স্পষ্ট যে রোগীরা অনেক দেরিতে হাসপাতালে আসছেন। ডেঙ্গু জ্বরকে সাধারণ জ্বর ভেবে অবহেলা না করে, জ্বর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাছের হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো জরুরি। পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের সব হাসপাতালেই বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট, স্যালাইন ও ওষুধ মজুত রয়েছে। তবে মৃত্যুহার কমাতে শুধু চিকিৎসা নয়, একইসঙ্গে দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ, গাইডলাইন অনুযায়ী চিকিৎসা এবং কার্যকর মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ডা. মঈনুল আহসান বলেন, ডেঙ্গু চিকিৎসার ক্ষেত্রে আমরা অত্যন্ত সতর্ক ও তৎপর। কিন্তু জনগণের সহযোগিতা ছাড়া মৃত্যুহার কমানো কঠিন। সবাইকে অনুরোধ করছি জ্বর হলে অবহেলা করবেন না, সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করান।’

 স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের নাগরিক, স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একযোগে কাজ করতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গুর গুরুতর পর্যায় সাধারণত জ্বরের ৩-৫ দিনের মধ্যে শুরু হয়। তাই এ সময়ের মধ্যেই রোগ শনাক্ত করা এবং চিকিৎসা শুরু করাই রোগীর জীবন বাঁচানোর মূল চাবিকাঠি।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts