• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদী থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাহতাবুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৯৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার। মনোহরদীতে সাগরদী বাইপাস সড়কে খিদিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে জলাবদ্ধতা, অসমাপ্ত কালভার্ট পরিদর্শনে সহকারী কমিশনার ভৃমি মো সজিব মিয়া। নোয়াখালীতে আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না: গ্রেফতার মনোহরদীর কুখ্যাত ‘নয়ন ডাকাত

চাঁদপুরে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় আসামির যাবজ্জীবন

Reporter Name / ৩২৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন

[ad_1]

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যায় মো. জহির হোসেন (৪৫) নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এ রায় দেন।

হত্যার শিকার গৃহবধূর নাম কোহিনুর বেগম। তিনি একই বাড়ির প্রবাসী আরিফ হোসেনের স্ত্রী। দণ্ডপ্রাপ্ত আরিফ হোসেন উপজেলার ভাটনীখোলা গ্রামের ব্যাপারী বাড়ির আবুল হোসেনের ছেলে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জহির হোসেনের স্ত্রী লাকি বেগম ঋণ করে তার স্বামীকে সৌদি আরব পাঠায়। জহির এক মাস থেকে দেশে চলে আসে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয় এবং লাকি বেগম তার কাছ থেকে তালাক নিয়ে চলে যায়। কিছুদিন পর লাকি বেগমের সঙ্গে কোহিনুরের বড় ভাইয়ের বিয়ে হয়। এ বিয়ে নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল রাতে জহির ক্ষিপ্ত হয়ে কোহিনুর বেগমের ঘরে প্রবেশ করে কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২২ এপ্রিল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

কোহিনুর বেগমের স্বামী প্রবাসে থাকায় তার ছোট ভাই মো. হাবিব উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ এপ্রিল শাহরাস্তি থানায় জহির হোসেনসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় প্রধান আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন শাহরাস্তি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল আউয়াল তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৩১ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কোহিনুর বেগম বলেন, মামলাটি দীর্ঘ পাঁচ বছরের অধিক সময় চলমান অবস্থায় ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তার উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts