• বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সমঝোতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান এবি পার্টির মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক সমাধান ‘সম্ভব’: এরদোয়ান আগামীকাল সংবিধান সংস্কার পরিষদের যাত্রা শুরু হবে: নাহিদ ইসলাম মনোহরদীর দৌলতপুরে আইন-শৃঙ্খলা সভা, মাদক কারবারিদের হুঁশিয়ারি ৪৯ বছরেও আকর্ষণীয় থাকার রহস্য ফাঁস করলেন মৌ জুলাই সনদের আংশিক নয়, পুরো প্যাকেজ চাই: জামায়াত আমির মনোহরদীর হাতিরদিয়া বাজারে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা বাংলাদেশের শহীদের রক্তের ঋণে আমরা আবদ্ধ: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সুখী হতে চাইলে রাষ্ট্রপতিকে অবিলম্বে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের আওতায় আনতে হবে

‘কোনো মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর গ্রিন বিল্ডিংয়ের বাইরে গেলে চলবে না’

Reporter Name / ৭৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন


পরিবেশ উপদেষ্টা

সকল সরকারি ভবনকে গ্রিন বিল্ডিং হিসেবে নির্মাণ করার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।  তিনি জানান, কোনো মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর গ্রিন বিল্ডিংয়ের বাইরে গেলে চলবে না। বাধ্যতামূলক নীতি থাকলে কম পানি ব্যবহার, পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো এবং আধুনিক পরিবেশবান্ধব নির্মাণশৈলী নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে এখনই সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরকে এক মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ গ্রিন বিল্ডিং ম্যানুয়াল প্রণয়নের নির্দেশ দেন। 

রোববার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর গণপূর্ত ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘এনভায়রনমেন্ট ম্যানেজমেন্ট, গ্রিন প্রকিউরমেন্ট এবং গ্রিন বিল্ডিং’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে “কনস্ট্রাকশন সাইট এনভায়রনমেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান, ধানমন্ডি লেক ওয়াটার কোয়ালিটি ইমপ্রুভমেন্ট, পিপিআর-২০২৫, গ্রীন প্রকিউরমেন্ট এবং গ্রীন বিল্ডিং” বিষয়ক পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা প্রদান করা হয়।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, দেশের নির্মাণশিল্পকে আধুনিকায়ন করতে হলে সরকারি নীতিতে পরিবর্তন আনতে হবে। লেকগুলো ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য নয়, এগুলো মানুষের জন্য—সুতরাং প্রকৃতি ধ্বংস করে উন্নয়নের নামে বাণিজ্যিক কার্যক্রম করা চলবে না। পাশাপাশি কমিউনিটি ও সরকারের দায়িত্বের সীমানা স্পষ্ট করাও জরুরি 

ইটভাটা প্রসঙ্গে রিজওয়ানা হাসান জানান, ধানিজমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ ইটভাটার আগুন ও ধোঁয়া দেশের সবুজায়ন নষ্ট করছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ইটভাটা ভেঙে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন, তবে ইটের বিকল্প প্রযুক্তি ও উপকরণ প্রচার না করলে শুধু আইন প্রয়োগে সমস্যার সমাধান হবে না। ইটভাটা ভাঙা কোন স্থায়ী সমাধান নয়; ব্লক ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা আরোপ করাই টেকসই পথ। এজন্য তিনি রাজউককে ভবন নির্মাণে নির্দিষ্ট পরিমাণে ব্লক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানান এবং বলেন, সরকারই ইটের সবচেয়ে বড় ক্রেতা—সুতরাং বিকল্প উপকরণকে প্রচার ও ব্যবহারে সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সেমিনারে বক্তব্য রাখেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলী। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন ইঞ্জিনিয়ার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ (অব.), ইঞ্জিনিয়ার আশেক আহমেদ শিবলী এবং ইঞ্জিনিয়ার শাহ ইয়ামিন–উল–ইসলাম।  অনুষ্ঠানে গণপূর্ত অধিদপ্তরের দেশের সকল ইঞ্জিনিয়ার এবং সংশ্লিষ্ট বেসরকারি ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts