• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
স্ক্রিনশট ফাঁস করে একঝাঁক নায়িকার নাম কেন প্রকাশ্যে আনলেন জয় যারা জনগণের ভোটের সঙ্গে প্রতারণা করেছে তাদের পরিণতি ভালো হয়নি সাংবাদিকরা পজেটিভ লিখলে ভালো কাজে জাতি উৎসাহিত হবে- স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে সাহস ও সমর্থনে এগিয়ে যাবার প্রত্যয়ে নারী দিবস উপলক্ষে মানব কল্যাণ পরিষদের শোভাযাত্রা তিন কারণে ‘অপরাধী’ বর্তমান রাষ্ট্রপতি: জামায়াত আমির নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল মনোহরদীতে ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার কার্য উপদেষ্টাসহ পাঁচ সংসদীয় কমিটি গঠন নরসিংদী জেলা রিপোটার্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

এনইআইআর না থাকায় সরকার বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে

Reporter Name / ৭৮ Time View
Update : শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন


এমআইওবি

সম্প্রতি মুঠোফোন বেচাকেনায় সরকার চালু করেছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টারএনইআইআর। এত দিন এই ব্যবস্থা না থাকায় সরকার প্রতিবছর অন্তত পাঁচ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে। এখন তা চালু হওয়ায় এই রাজস্ব পাবে সরকার বলছে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এমআইওবি

মঙ্গলবার ( জানুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এনইআইআর ঘিরে মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনসহ এই ব্যবস্থা সম্পর্কে মানুষের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে ‘এনইআইআরএর হাত ধরে শুরু হোক নিরাপদ বাংলাদেশ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলে এমআইওবি। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন এমআইওবির কার্যনির্বাহী সদস্য জহিরুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এমআইওবির সদস্য সাইফুদ্দিন টিপু, ইমাম উদ্দিন প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে এমআইওবির পক্ষ থেকে বলা হয়, এনইআইআর চালু হওয়ায় ২০২৬ সালে সরকার মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি থেকে অন্তত পাঁচ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পাবে, এত দিন যা তারা পায়নি। অবৈধ বা চোরাই পথে মুঠোফোন আমদানিসহ বেচাকেনায় প্রতিবছর অন্তত ১০ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, যার হিসাব কোথাও নেই। বর্তমানে সরকার মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি থেকে বছরে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করছে। এনইআইআর চালু হওয়ায় এই রাজস্ব পাঁচ থেকে ছয় হাজার কোটি টাকা দাঁড়াবে। আর ২০৩০ সালের মধ্যে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে অন্তত ১৫ হাজার কোটি টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এমআইওবির কার্যনির্বাহী সদস্য ও শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়া উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩০ হাজার টাকার বেশি দামের মুঠোফোন বিক্রির পরিমাণ কম। উৎপাদনের পরিমাণ কম থাকায় দাম কমানো যায়নি। যদিও অন্য দেশে এসব মুঠোফোনের দাম কম। তবে বাংলাদেশে উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো গেলে বিভিন্ন মডেলের মুঠোফোনের দাম আরও কমানো যাবে। এনইআইআর না থাকায় এত দিন এই সুযোগে মুনাফা অর্জন করেছিল বিভিন্ন ব্যক্তিপ্রতিষ্ঠান। এনইআইআর চালু থাকলে স্থানীয় বিনিয়োগের পাশাপাশি মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রিতে বাইরের বিনিয়োগ আরও বাড়বে। বর্তমানে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন মার্কেটের অন্তত ২০ শতাংশ অবৈধ কারবারিদের দখলে। তাঁরা একদিকে যেমন সরকারকে রাজস্ব দেন না, আবার যে মুঠোফোনগুলো বিক্রি করেন, আনঅফিশিয়াল হওয়ায় সেগুলোয় নানা ধরনের নিরাপত্তা ইস্যু থাকে।

সংবাদ সম্মেলনে সমাপনী বক্তব্য দেন এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শহীদ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, অবৈধভাবে মুঠোফোনের ব্যবসা করা যায়, এমন নজির বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর আর কোথাও নেই। এর আগেও এনইআইআর চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু দুর্নীতির মাধ্যমে সেই উদ্যোগ বন্ধ করা হয়। এখন আবার এই প্রক্রিয়া বন্ধের জন্য অনেকে আন্দোলন করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনইআইআর নিয়ে অনেক ধরনের ভুল তথ্য ও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এতে মানুষ বিভ্রান্ত ও আতঙ্কিত হচ্ছে। যারা এনইআইআর চালুর বিপক্ষে, তারা ব্যক্তিস্বার্থের জন্য এমন তৎপরতায় জড়িত। অবৈধ উপায়ে মুঠোফোন আমদানি ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সরকারের কর ফাঁকিসহ অন্তত চারটি আইন ভাঙছেন। দেশের স্বার্থে এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts