• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি: ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ইয়াবা সেবনের সময় যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান। মনোহরদীতে খাঁড়াব মুন্সিবাড়ী প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মনোহরদী পৌরসভায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

বন্দরে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে ইউএনও’র কাছে মায়ের আর্জি

Reporter Name / ১২৪ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন

[ad_1]

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ফাতেমা আক্তার নিলা নামে এক গৃহবধূকে পরিকল্পিতভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়ে তার স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন নিহত নিলার মা সেতারা বেগম (৬৬)। রবিবার (৩ মে) ইউএনও’র কাছে দেয়া আবেদনটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

 

বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকার বাসিন্দা বৃদ্ধা সেতারা বেগম লিখিত আর্জিতে উল্লেখ করেন, প্রায় ১৫ বছর আগে তাঁর মেয়ে ফাতেমা আক্তার নিলার সাথে মো. পলাশ নামের এক ব্যক্তির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নিলার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সেতারা বেগম জানান, পারিবারিক অশান্তি ও নিয়মিত নির্যাতনের কারণে তাঁর মেয়ে প্রায়ই বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হতেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পলাশ কয়েক বছর আগে গোপনে দ্বিতীয় দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকেই নিলার প্রতি অবহেলা ও নির্যাতন চরম আকার ধারণ করে।

 

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, গত বছরের নভেম্বর মাসে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে নিলা কিছুদিন মায়ের বাড়িতে ছিলেন। পরবর্তীতে পলাশ তাঁকে বুঝিয়ে বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে থাকাকালীন নিলা ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে তাঁকে যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে অবহেলায় ঘরে ফেলে রাখা হয়। অবস্থার চরম অবনতি হলে তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

 

ভুক্তভোগী মায়ের অভিযোগ, তাঁর মেয়ের কাছে গচ্ছিত থাকা প্রায় ৭ থেকে ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার মৃত্যুর পর আত্মসাৎ করেছেন পলাশ। স্বর্ণালঙ্কার ফেরত চাইলে পলাশ নানা টালবাহানা করছেন এবং উল্টো ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।

 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সেতারা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, “আমার মেয়ের জীবনে কোনো দিন শান্তি ছিল না। আমি বিশ্বাস করি, প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্ত করলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে।”

 

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পরিবারটিতে দীর্ঘদিন ধরেই দাম্পত্য কলহ চলছিল বলে তারা অবগত ছিলেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পলাশের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হওয়া জরুরি।

 এদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category