[ad_1]
আপডেটঃ ১:৪৪ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে দূরপাল্লার বাস চলাচল নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক মালিক সমিতি।সমিতি জানিয়েছে, ভোটের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে দূরপাল্লার বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকবে, তবে ভোটের দিন অধিকাংশ সার্ভিস বন্ধ থাকতে পারে।রোববার গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মালিক সমিতির সভাপতি রমেশ চন্দ্র ঘোষ। তিনি বলেন, ১১ ফেব্রুয়ারি বাস চলাচলে কোনো বাধা নেই এবং সেদিনের জন্য সার্ভিস চালু থাকবে।তবে ওই দিনের টিকিটের চাহিদা তুলনামূলক কম রয়েছে বলে জানান তিনি।এর বিপরীতে ১০ ফেব্রুয়ারির টিকিটের জন্য যাত্রীদের চাপ বেশি বলেও উল্লেখ করেন সমিতির সভাপতি।ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি বাস চলাচলের বিষয়ে রমেশ চন্দ্র ঘোষ জানান, আইনগতভাবে বাস চলাচলের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।
তবে অধিকাংশ চালক ও কর্মী ভোট দেওয়ার জন্য ছুটি চাওয়ায় অনেক সার্ভিস বন্ধ থাকতে পারে।তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর রাতে ধীরে ধীরে বাস চলাচল পুনরায় শুরু হতে পারে।এর আগে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় ভোট উপলক্ষে সারা দেশে যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮-এর ৩২ ধারার আওতায় ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে, যা ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এ ছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।তবে জরুরি প্রয়োজন ও নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজে কিছু শিথিলতার সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় যান চলাচলের ক্ষেত্রেও এই বিধিনিষেধে শিথিলতা প্রযোজ্য থাকবে।
IPCS News : Dhaka :
[ad_2]