[ad_1]
বর্তমানে ডলার ইনকাম করার অ্যাপস গুলো ব্যবহার করে ঘরে বসেই অনলাইনে ইনকাম করা যাচ্ছে।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্টুডেন্টরা এই ধরনের অ্যাপস ব্যবহার করে পার্টটাইম ইনকাম করছে।
আপনারা যারা বাড়িতে বেকার বসে থাকেন, তাদের উচিত ডলার ইনকামের অ্যাপস গুলোতে কাজ করে পার্টটাইম ইনকাম করা।
অনেকে আমরা বাড়িতে বসে সময় নষ্ট করি, অযথা গেম খেলে ও ফেসবুকে সময় নষ্ট করে থাকে। এগুলো না করে ডলার ইনকামের অ্যাপস গুলোতে বিভিন্ন ধরনের টাস্ক সম্পন্ন করে ইনকাম করতে পারেন।
এতে করে আপনি আর্থিকভাবে কিছুটা সচ্ছল হতে পারবেন। আজ আমরা ডলার ইনকামের সেরা অ্যাপস গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো।
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করে ডলার ইনকাম করা এখন আর কঠিন কিছু নয়। সঠিক অ্যাপ নির্বাচন করতে পারলে ঘরে বসেই সার্ভে, টাস্ক, ভিডিও দেখা, গেম খেলা কিংবা ছোট ছোট কাজ করে ডলার আয় করা সম্ভব।
বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে বিকাশ, নগদ, রকেট বা পে-পাল এর মাধ্যমে পেমেন্ট নেওয়ার সুবিধা থাকায় এই ধরনের অ্যাপের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
অবশ্যই পড়ে নিবেনঃ
এখনআমরা আলোচনা করবো সেরা ৫টি বিশ্বস্ত ডলার ইনকাম করার অ্যাপস, যেগুলোতে কাজ করে আপনি নিয়মিত আয় করতে পারবেন।
ySense হলো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় GPT (Get Paid To) প্ল্যাটফর্ম। এখানে আপনি বিভিন্ন কাজ করে ডলার ইনকাম করতে পারবেন। এখানে সাধারণত ছোট ছোট টাস্ক সম্পূর্ণ করে ইনকাম করা যায়।
টাস্ক গুলো সাধারণত মোবাইল দিয়েই করা যায়। তবে আপনার কম্পিউটার থাকলে সেটি দিয়েও করে ইনকাম করতে পারবেন।
সাম্প্রতিক সময়ে এই সকল ডলার ইনকাম করার অ্যাপস গুলো অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে, তাই আপনি চাইলে এই অ্যাপসটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে একাউন্ট খুলে কাজ করে ইনকাম করতে পারেন।

এখানে প্রতিটি কাজের বিনিময়ে সরাসরি ডলার দেওয়া হয়। আপনি সাধারণত ১০ মিনিটের সার্ভে করেই এই সাইট থেকে ৯০ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন। আরো ইনকাম করার পদ্ধতি রয়েছে যেমনঃ
আর এই অ্যাপস থেকে আপনি PayPal, Payoneer, Skrill ইত্যাদি মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন। তারা খুব দ্রুত সময়ে পেমেন্ট পাঠিয়ে দেয়। ২৪ ঘন্টার মধ্যে পেমেন্ট রিসিভ করতে পারবেন। তাই দেরি না করে এখনই ফ্রিতে একাউন্ট খুলে ডলার ইনকাম শুরু করুন।
ডলার ইনকাম করার অন্যতম একটি অ্যাপ হলো Swagbucks। এই অ্যাপসটিতে সত্যিকার অর্থে আপনি ঘরে বসেই ডলার উপার্জন করে পেমেন্ট নিতে পারবেন।
তাদের এপস থাকার সাথে সাথে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট রয়েছে। সেই অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করেও আপনি বিভিন্ন ধরনের টাস্ক করে ইনকাম করতে পারবেন।
এখানে সাধারণত তারা সরাসরি ডলার দেয় না। আপনি প্রতিটি কাজ কমপ্লিট করার বিনিময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

আর এই নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট পরবর্তীতে এক্সচেঞ্জ করার মাধ্যমে ডলারের রূপান্তর করা যাবে। যেমন ধরুন ১০০ পয়েন্ট হলে ১ ডলার এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন।
অর্থাৎ আপনি এক ডলার ইনকাম করতে পারছেন মাত্র ১০০ পয়েন্ট করে। এভাবে এই সাইটটিতে বিভিন্ন ধরনের মিনি কাজগুলো করে আয় করা যাবে। কাজগুলো হলোঃ ডলার ইনকাম করার অ্যাপস
আর তাদের অ্যাপসটিতে যে সকল কাজ দেওয়া হয়, সেগুলো আপনি মোবাইল দিয়েই করতে পারবেন। তাই মোবাইল ব্যবহার করে এই অ্যাপটি তে কাজ করুন।
অযথা সময় নষ্ট করবেন না, যেহেতু একটি ফ্রি। তাই অ্যাপে ফ্রিতে একাউন্ট খুলে কাজ করে ইনকাম করুন। এই অ্যাপ থেকে ইনকাম করা ডলারগুলো PayPal, Gift Card এর মাধ্যমে নিতে পারবেন।
পেপালের মাধ্যমে নিলে পরবর্তীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন পদ্ধতিতে বিকাশের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
InboxDollars অ্যাপটি ব্যবহার করে ইমেইল পড়া, ভিডিও দেখা এবং সার্ভে করে ডলার আয় করা যায়। এটিও একপ্রকার মাল্টি জব অ্যাপস।
এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের মাইক্রোটাস্ক কমপ্লিট করার বিনিময়ে পয়েন্ট সহ সরাসরি ডলার ইনকাম করতে পারবেন। এখানে সাধারণত আপনি একটি সার্ভে কমপ্লিট করার মাধ্যমেই ৩ ডলারের কাছাকাছি ইনকাম করতে পারবেন।

তাহলে বুঝতে পারছেন অন্যান্য অ্যাপসের তুলনায় এই অ্যাপটিতে ইনকামের পরিমাণ বেশি। তাই আপনারা চাইলে বিনামূল্যে এই অ্যাপটিতে সার্ভে করে অন্যান্য কাজগুলো করে ইনকাম করতে পারেন। তবে আরো বেশি আয় করতে চাইলে পেইড সার্ভে করতে হয়।
অ্যাপটিতে আরো বিভিন্ন ধরনের কাজ করা যাবে যেমনঃ
তাদের পেমেন্ট পদ্ধতি হল পেপাল। অর্থাৎ আপনি পেপাল এর মাধ্যমে ডলার উত্তোলন করতে পারবেন। ইতিমধ্যে একটি ৫ মিলিয়ন এর বেশি মানুষ ব্যবহার করছে। আর গুগল প্লে স্টোরে এই অ্যাপটির রেটিং ৪.৫।
ডলার ইনকামের জনপ্রিয় আরেকটি অ্যাপস হলো ফিউচার পয়েন্ট। এই অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে অ্যাভেলেবেল আছে। সরাসরি সেখান থেকে ডাউনলোড করে ফ্রিতে একাউন্ট খুলে ইনকাম করা যাবে।
এখানে FeaturePoints অ্যাপে অ্যাপ ডাউনলোড, সার্ভে এবং রেফার করে ইনকাম করা যায়। এছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের মিনি টাস্ক করতে পারবেন।
আপনার কোন দক্ষতার বা যোগ্যতার প্রয়োজন নেই, যদি আপনার মোবাইল থাকে তাহলে এই অ্যাপটিতে কাজ করতে পারবেন। আর অনায়াসেই প্রতি দিন 50 থেকে 100 টাকার বেশি আয় করে ফেলতে পারবেন।

বর্তমানে এই আপটিতে নতুন ব্যবহারকারী একাউন্ট খুললেই দুই ডলার সরাসরি বোনাস পাবেন। তাই তাড়াতাড়ি সকলেই অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং দুই ডলার বোনাস নিয়ে আরো বেশি ইনকাম শুরু করুন।
অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ১০ মিলিয়ন এর বেশি ডাউনলোড হয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় অ্যাপটি অনেক জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত। পাশাপাশি অ্যাপের রেটিং ৪.১। PayPal, Bitcoin, Gift Card এই সকল ডিজিটাল পদ্ধতিতে অ্যাপটি থেকে পেমেন্ট নিতে পারবেন।
TimeBucks একটি মাল্টি-টাস্কিং ইনকাম অ্যাপ, যেখানে বিভিন্ন উপায়ে ডলার আয় করা যায়। এখানে আরো বিভিন্ন ধরনের অনলাইন ভিত্তিক কাজ কমপ্লিট করে আয় করতে পারবেন। যেমন কাজগুলো হলঃ
এই সহজ কাজগুলো করে আয় করতে পারেন। যদি আপনার হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকে এবং পার্ট টাইম ইনকাম করার চিন্তা ভাবনা থাকে।
তাহলেই এই অ্যাপটিতে ফ্রিতে একাউন্ট খুলে এই ছোট ছোট সহজ কাজগুলো করে ইনকাম করতে পারেন। তারা সাধারণত পেপাল ও পেওনিয়ার এর মাধ্যমে পেমেন্ট প্রদান করে থাকে।
অনলাইনে অনেক স্ক্যাম অ্যাপ রয়েছে, যারা ইনভেস্ট বা ডিপোজিট চায়। কিন্তু উপরের অ্যাপগুলোতে কোনো ডিপোজিট ছাড়াই কাজ করে আয় করা যায়। এগুলো বহু বছর ধরে বিশ্বস্তভাবে পেমেন্ট করে আসছে।
স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট থাকলে এখন ডলার ইনকাম করা অনেক সহজ। সঠিক অ্যাপ বেছে নিয়ে নিয়মিত কাজ করলে আপনি মাসে ভালো একটি ইনকাম তৈরি করতে পারবেন।
উপরে উল্লেখিত ySense, Swagbucks, InboxDollars, FeaturePoints এবং TimeBucks এই পাঁচটি অ্যাপ বিশ্বস্ত এবং নতুনদের জন্য উপযোগী।আজই একটি অ্যাপ বেছে নিয়ে কাজ শুরু করুন এবং ঘরে বসেই ডলার ইনকাম করুন।

আমি উদ্ভাস আইটির এডমিন, একজন অনলাইন ইনকাম ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। অনলাইন আয়ের বাস্তব ও কার্যকরী উপায়, প্রযুক্তির আপডেট এবং ডিজিটাল দুনিয়ার নানা দিক নিয়ে আমি নিয়মিত আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। লক্ষ্য একটাই—পাঠকদের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরা।
[ad_2]
Source link