• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য ২৪ ঘণ্টায় উদঘাটন, বাবা গ্রেপ্তার মনোহরদীতে রামপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ১২ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেফতার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ গ্লোবাল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেধার বর্ণিল উৎসব, বৃত্তি ও সংবর্ধনায় কৃতীদের সম্মাননা এল কে ইউনিয়ন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা, সভাপতিকে ফুলের শুভেচ্ছায় বরণ মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ইউএনওর মনোহরদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সেরা খামারিদের পুরস্কার বিতরণ আপনার হোস্টিং সাইট কেন স্লো? সমাধান ও পরামর্শ Web Hosting কী? কেন ভালো Hosting আপনার ওয়েবসাইটের সফলতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? আপনার হোস্টিং সাইট কেন স্লো? সমাধান ও পরামর্শ

বেনাপোলে হুন্ডির ১৭ লাখ টাকাসহ ভারতীয় দুই নারী আটক

Reporter Name / ৩৫৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন

[ad_1]

বেনাপোল চেকপোস্টে ১৭ লাখ হুন্ডির টাকাসহ ভারতীয় দুই নারীকে আটক করেছে কাস্টমস কর্মকর্তারা।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভারত থেকে আসার পর বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে স্ক্যানিং এর সময় তাদের ব্যাগ তল্লাশি করে বাংলাদেশি ১৭ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ সময় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করে। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটকরা হলেন, ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ থানার হরিদাসপুর রায়পুর গ্রামের আনন্দ বৈদ্যর স্ত্রী রিনা বৈদ্য (৩৭) ও একই জেলার বাগদা থানার কুলিয়া এলাকার মৃত সানোয়ার শাহাজীর স্ত্রী মুক্তি শাহাজি (৫৪)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানায়, ব্যবসায়ী ভিসা নিয়ে তারা প্রতি লাখ টাকায় ৩০০ টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা ছিল। তারা আরও জানান, বেনাপোল ইমিগ্রেশন পার হওয়ার একটি ছেলের কাছে টাকার ব্যাগ হস্তান্তরের কথা ছিল। ছেলেটির পরিচয় তারা জানেন না।

এ ঘটনায় আটক ভারতীয় নারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার অতুল গোস্বামী জানান, ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কাস্টমসের স্ক্যানিং তল্লাশি কেন্দ্রে তাদের ব্যাগ তল্লাশির জন্য দিলে সেখানে ১৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়। টাকার উৎস ও বাংলাদেশে আনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এ কারণে ডিটেনশন মেমো (ডিএম) মূলে টাকাগুলো জব্দ করা হয়। তবে পরে ফেরত যাওয়ার সময় বৈধ উৎস ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারলে আইন অনুযায়ী টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

এই খবরটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category