[ad_1]
বর্তমানে ভ্রমণের সবচেয়ে দ্রুত এবং আরামদায়ক মাধ্যম হলো বিমান। কিন্তু অনেকেই টিকেট কাটার আগে একটি প্রশ্ন করেন বিমান টিকেট মূল্য কত? আসলে বিমান টিকেটের দাম নির্ভর করে রুট, সময়, এয়ারলাইন্স, সিটের ধরন, এবং বুকিং টাইমের উপর। একই রুটে ভিন্ন সময়ে টিকেটের দাম কম-বেশি হতে পারে।
এই আর্টিকেলে আপনি জানতে পারবেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রুটে বিমান টিকেটের আনুমানিক মূল্য, কোন সময়ে টিকেট সস্তা পাওয়া যায়, এবং টিকেট কম দামে কেনার কার্যকর কৌশল।
বিমান টিকেটের দাম স্থির নয়। নিচের বিষয়গুলো দামের উপর প্রভাব ফেলে
আরো অনেকগুলো বিষয়ের উপর বিমানের টিকিটের দাম নির্ভর করে থাকে। সেগুলো হয়তো আপনারা কম-বেশি সকলেই জানেন।
বিমানের টিকিট কেনার জন্য আপনাদের অবশ্যই বিমান সংস্থার নামের তালিকা সম্পর্কে জানতে হবে। বর্তমানে আমাদের দেশে চারটি বিমান সংস্থা রয়েছে।
অবশ্যই পড়বেনঃ
এই বিমান সংস্থাগুলো বিমান পরিচালনা করে থাকে।বিমান সম্পর্কিত সকল কাজকর্ম তারা করে থাকে। তাছাড়াও বিমানের টিকিট তারাই দিয়ে থাকে। আপনারা এসব সংস্থা থেকে বিমানের টিকিট কিনতে পারবেন।
উপরোক্ত সংস্থাগুলো বিমান পরিবহন কার্যাবলী পরিচালনা করে থাকে। আর আমাদের দেশে এই চার ধরনের বিমান সংস্থা রয়েছে।
সাধারণত বিভিন্ন সময়ে বিমানের টিকিটের দাম কম বেশি হয়ে থাকে। তাই সঠিকভাবে বিমানের টিকিটের দাম বলা সম্ভব নয়। তবে আমরা বিমানের টিকিটের দাম সম্পর্কে ধারণা দিতে পারি। আপনারা চাইলে অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বিমানের টিকেটের দাম সম্পর্কে জেনে আসতে পারেন।
বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে বিমান টিকিট কাটার অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে টিকিটের মূল্য লেখা থাকে। আপনারা চাইলে বাংলাদেশের বিমান এয়ারলাইন্স ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বিমানের টিকিটের দাম দেখতে পারেন।
আমাদের দেশের মধ্যে অনেক ব্যক্তি রয়েছে যারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিমানে গিয়ে থাকেন। অনেকেই আবার ব্যবসার কাজে দ্রুত যাওয়ার জন্য বিমানে করে যান।
এজন্য আপনাদের দেশের মধ্যেই বিমানের টিকিটের দাম কত সে সম্পর্কে জেনে রাখতে হবে। যার ফলে আপনি অতি সহজেই বিমান টিকেট মূল্য জেনে দেশের মধ্যেই যে কোন স্থানে বিমানে করে যেতে পারবেন। নিম্নে দেশের ভেতরে বিমান টিকিট মূল্য সম্পর্কে জানানো হলো।
| রুট (দেশের মধ্যে যাতায়াত স্থান) | আনুমানিক টিকেট মূল্য (ইকোনমি) |
| ঢাকা → চট্টগ্রাম | ৩,৫০০ – ৬,০০০ টাকা |
| ঢাকা → কক্সবাজার | ৪,৫০০ – ৮,৫০০ টাকা |
| ঢাকা → সিলেট | ৩,০০০ – ৫,৫০০ টাকা |
| ঢাকা → যশোর | ৩,০০০ – ৫,০০০ টাকা |
| ঢাকা → রাজশাহী | ৩,৫০০ – ৬,০০০ টাকা |
| ঢাকা → সৈয়দপুর | ৩,০০০ – ৫,০০০ টাকা |
ছুটির সময় এবং পর্যটন মৌসুমে (বিশেষ করে কক্সবাজার রুটে) দাম বৃদ্ধি পায়।
আপনাদের মত অনেকে আছে যারা দেশের বাইরে বিভিন্ন কাজের জন্য বিমানে করে যেতে চান। তাদের অবশ্যই দেশের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিমানের টিকিটের মূল্য সম্পর্কে জেনে রাখা উচিত।
অনেকেই ব্যবসার জন্য দেশের বাইরে গিয়ে থাকেন। তারা প্রায় বিমানে করে যেয়ে থাকেন। তবে বিমানের টিকেটের মূল্য আনুমানিক কত হতে পারে তা সম্পর্কে অনেকেই ভালোমতো জানেন না।
এজন্য আমরা আজকের এই অংশে দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য বিমানের টিকেটের আনুমানিক দাম সম্পর্কে তুলে ধরার চেষ্টা করব। তবে আপনারা চাইলে বিমান এয়ারলাইন্স থেকে দাম গুলো জেনে নিতে পারেন। নিম্নে আন্তর্জাতিক রুটে বিমান টিকেট মূল্য কত তা জানানো হলোঃ
| রুট (যাতায়াতের স্থান) | আনুমানিক টিকেট মূল্য |
| ঢাকা → কলকাতা | ৮,০০০ – ১৫,০০০ টাকা |
| ঢাকা → দিল্লি | ৯ হাজার ৫০২ টাকা |
| ঢাকা → দুবাই | ৪৫,০০০ – ৮০,০০০ টাকা |
| ঢাকা → মালয়েশিয়া | ৪০,০০০ – ৭০,০০০ টাকা |
| ঢাকা → সিঙ্গাপুর | ৫০,০০০ – ৯০,০০০ টাকা |
| ঢাকা → সৌদি আরব | ৬০,০০০ – ১,২০,০০০ টাকা |
| ঢাকা → কাতার | ৫৫,০০০ – ৯৫,০০০ টাকা |
যারা দেশের বাইরে বিভিন্ন স্থানে বিমানে করে গিয়ে থাকেন তারা অবশ্যই বিমানের টিকেট দাম সম্পর্কে জেনে রাখবেন। আর বিমানের টিকেট কাটার জন্য বিমান এয়ারলাইন্স এর সাথে যোগাযোগ করুন।
আপনাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা কম দামে বিমানের টিকেট কিনতে চান। এজন্য আপনারা প্রায়ই গুগলে কম দামে বিমানের টিকিট কেনার উপায় লিখে সার্চ করে থাকেন।
আর এজন্য আমরা আজকের এই অংশটিতে কম দামে বিমানের টিকিট কেনার কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করব। অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার রয়েছে যারা বিমানে করে ভ্রমণের জন্য কম দামে টিকিট কিনতে চায়।
তাদের জন্য আজকের এই অংশটি হতে যাচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিমানের টিকেট মূল্য নির্ধারিত নয়, টিকিটের দাম ওঠানামা করতে থাকে। অনেক সময় বেশি দাম হয়, আবার অনেক সময় কম দাম হয়ে থাকে।তাছাড়া যারা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বিমানে করে যেতে চান তারা চাইলে কম দামে টিকিট কিনে খরচ বাঁচাতে পারেন।
এতে করে আপনার ভ্রমণে টাকা কম খরচ হবে এবং আপনি টাকা সেভ করতে পারবেন। যারা ভ্রমণ প্রিয় মানুষ এবং কম দামে বিমানের টিকেট ক্রয় করতে চান তারা অবশ্যই এই অংশটি ভাল করে পড়ুন। তবে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে কম দামে বিমান টিকেট কেনার উপায় গুলো জেনে নেওয়া যাক।
কার্যদিবসে ভ্রমণঃ আপনারা কম দামে টিকিট কেনার জন্য কার্য দিবসে বিমানে ভ্রমণ করতে পারেন। ছুটির দিনগুলোতে সাধারণত বিমান গুলোতে যাত্রীর চাপ বেশি থাকে,
যার কারণে সেই সময়ে বিমানের টিকিটের দাম বেশি হয়ে থাকে। এই ছুটির দিনগুলোতে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকুন অর্থাৎ বিমানের টিকিট কেনা থেকে বিরত থাকবেন।
ছুটির দিনগুলোতে বিমানে করে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে অবশ্যই ১০ থেকে ১৫ দিন আগে বিমানের টিকেট বুকিং করে রাখবেন।
তাছাড়াও যারা দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে চান তারাও ছুটির দিনগুলো এড়িয়ে চলবেন, বন্ধের দিনে বিমানের টিকিট কাটবেন না। বিশেষ করে শনিবার , শুক্রবার ও রবিবার এই তিন দিন ভ্রমণ করা থেকে বেঁচে থাকবেন।
এই তিন দিনে বিমানের টিকেট ক্রয় করবেন না, কারণ এই দিনগুলোতে দেশ-বিদেশে বিমানে যাত্রীর বাড়তি চাপ থাকে, এর ফলে টিকিটের দাম বহুগুণ বেড়ে যায়। আর এই সময়গুলোতে সারা বিশ্বে ভ্রমণের পরিমাণ অনেকটা বেড়ে গিয়ে থাকে।
বিমান এয়ারলাইন্স ওয়েবসাইট ভিজিট করুনঃ আপনি বিমানে করে যেই জায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা করতেছেন, সেখানে যেসব এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করবেন।
তারা অনেক সময় বিভিন্ন রকম ক্যাশ ভাউচার অফার , বিমানের টিকিট ডিসকাউন্ট অফার দিয়ে থাকে। তাছাড়া আরও বিভিন্ন ধরনের বিমানের টিকেটে অফার দেয়। এজন্য আপনারা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটগুলোতে নজর রাখবেন।
থার্ড পার্টি ওয়েবসাইটঃ বর্তমানে বিমানের টিকিট বুকিং এর জন্য অনেক থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের ডিসকাউন্ট ও অফার দেয়া হয়ে থাকে।
যার কারণে বিমানের টিকিটের মূল্য অনেকটা কম হয়। এজন্য আপনারা সবসময়ই এসব থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট ও তাদের ফেসবুক পেজে লক্ষ্য রাখবেন। তারা অনেক সময় কম দামে বিমানের টিকেট দিয়ে থাকে।
হিডেন চার্জঃ বিমান ফ্লাইটের টিকিট বুকিং এর সময় অবশ্যই হিডেন চার্জের দিকে খেয়াল রাখবেন। টিকিট বুকিং এ অনেক ধরনের হিডেন চার্জ থাকে। সেসব চার্জের দিকে খেয়াল রেখে টিকিট কাটার চেষ্টা করবেন।
তাছাড়া বাড়তি হিডেন চার্জ করা হচ্ছে কিনা সেগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখবেন। আর যেখানে টিকিট বুকিং এ বাড়তি ফি চার্জ করা হচ্ছে, সেখানে টিকিট ক্রয় করা থেকে বিরত থাকবেন।
দিনের প্রথম ফ্লাইটে টিকিট বুকিং করার চেষ্টা করুনঃ দিনের প্রথম দিকে ফ্লাইটগুলোতে তুলনামূলক কম টিকেট বিক্রি হয়ে থাকে, যার কারণে অনেক সময় বিমানের টিকিটের দাম কম হয়।
বিশেষ করে সকাল ছয়টা থেকে সাতটার আগে যেসব ফ্লাইট রয়েছে, সেগুলোর টিকিট ক্রয় করুন। এসব ফ্লাইটের টিকিটের দাম কিছুটা কম পেতে পারেন।
মূলত সকালের দিকে বিমানের যাত্রীর তেমন চাপ থাকে না, এজন্য প্রায় সময় টিকেটের মূল্য কম হয়ে থাকে।
ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বুকিংঃ বর্তমানে ক্রেডিট কার্ডের কোম্পানিগুলো তাদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ডিসকাউন্ট অফার দিয়ে থাকে।
আপনারা এই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বিমানের টিকিট ক্রয় করলে ডিসকাউন্ট পেতে পারেন। তারা অনেক সময় বিভিন্ন কিছু কেনার সময় ডিসকাউন্ট প্রদান করে থাকে।
তাই আপনারা বিমানের টিকিট বুকিং এর আগে জেনে নিবেন আপনার ক্রেডিট কার্ডে ডিসকাউন্ট অফার আছে কিনা, যদি বিমানের টিকেট কেনার সময় ডিসকাউন্ট অফার থাকে তাহলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করুন। তাছাড়া ও দেশের বাইরে এসব ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়।
ভ্রমণ প্যাকেজঃ বর্তমান আমাদের দেশের বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি ঘুরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ অফার দিয়ে থাকে। তাদের প্যাকেজে বিমানে খরচ সহ আনুষঙ্গিক সকল খরচ যুক্ত করা থাকে।
যেখানে প্রায়ই ভালো ধরনের ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়। আপনি যদি কোথাও কম খরচে বিমানে করে ঘুরতে যেতে চান তাহলে এই প্যাকেজগুলোতে লক্ষ্য রাখতে পারেন।
ট্রাভেল এজেন্সির ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে নজর রাখবেন। তারা বিভিন্ন সময়ে এ ধরনের ডিসকাউন্ট প্যাকেজ গুলো অফার করে থাকে।
কম দামে বিমান টিকিট কেনার অনেক উপায় ও নিয়ম রয়েছে, যেগুলো আপনি জানতে পারলে কম দামে বিমান টিকিট কিনে ভ্রমণ করতে পারবেন। আপনাদের সাথে নিম্নে কিছু উপায় শেয়ার করছি যেগুলো অনুসরণ করে কম দামে বিমান টিকিট ক্রয় করতে পারেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স টিকেট বুকিং করতে হলে প্রথমেই তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
প্রথমে আপনি মোবাইল ফোনের যেকোনো বাজার থেকে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে www.biman-airlines.com প্রবেশ করবেন। এবার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর Book Flight অপশনটিতে ক্লিক করবেন।
এখন আপনার সামনে আরো অনেকগুলো অপশন আসবে যেমনঃ One way,Round-trip,Multi-city ইত্যাদির অপশন গুলোর যেকোনো একটিতে আপনার চাহিদা অনুযায়ী ক্লিক করবেন।
এবার আপনি যে শহরে যেতে চান সেটি নির্বাচন করতে হবে। এর জন্য ফ্লাইং টু অপশনে জায়গা নির্বাচন করবেন। আর আপনি যে স্থান থেকে ভ্রমণ শুরু করতেছেন সেটি নির্বাচন করতে হবে।
এক্ষেত্রে flying form অপশনে আপনার নিজের স্থান সিলেক্ট করুন। এরপর আপনার বয়স কত সেটি দিতে হবে। তারপর প্রোমো কোডের অপশন রয়েছে।
আপনি যদি কোন ডিসকাউন্ট প্রোমো কোড পেয়ে থাকেন তাহলে সেখানে প্রোমো কোড বসিয়ে এপ্লাই করতে পারেন। এতে করে বিমানের টিকিটে ডিসকাউন্ট পেতে পারেন। এবার সর্বশেষে সার্চ অপশনটিতে ক্লিক করবেন।
সার্চ অপশনটিতে ক্লিক করার পর আপনি যে দিনে টিকিট ক্রয় করতে চাচ্ছেন সেই দিনে কোন ফ্লাইট আছে কিনা সেটা চেক করে দেখাবে।
যদি আপনার দেওয়া তারিখে কোন ফ্লাইট থাকে তাহলে সেখানে সেটা দেখাবে। ফ্লাইট থাকলে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে টিকিট বুকিং কনফার্ম করবেন।
আপনি যদি কম দামে বিমান টিকেট কিনতে চান, তাহলে
বর্তমানে ঘরে বসেই মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে টিকেট কাটা যায়। যেমন
অনলাইনে বুকিং করলে অনেক সময় ডিসকাউন্ট বা প্রোমো কোড ব্যবহার করা যায়।
আসলে বিমান টিকেট মূল্য কত? এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট একটি উত্তর নেই, কারণ এটি সময়, রুট ও পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল।
তবে সঠিক সময়ে বুকিং, অফ সিজনে ভ্রমণ এবং তুলনা করে টিকেট কাটলে আপনি অনেক কম দামে বিমান টিকেট পেতে পারেন।
দেশীয় রুটে কয়েক হাজার টাকায় এবং আন্তর্জাতিক রুটে তুলনামূলক বেশি দামে টিকেট পাওয়া যায়।ভ্রমণের আগে পরিকল্পনা করুন, দাম যাচাই করুন, এবং স্মার্টভাবে বুকিং করে খরচ বাঁচান।
বাংলাদেশ থেকে পোল্যান্ড বিমান ভাড়া কত?
বাংলাদেশ থেকে পোল্যান্ড বিমান ভাড়া আনুমানিক ৭৭,৮০০ টাকা থেকে ৮৭,৫৯০ টাকা । সিলেট থেকে ঢাকা বিমান ভাড়া কত?
সিলেট থেকে ঢাকা বিমান ভাড়া বিভিন্ন এয়ারলাইন্স অনুযায়ী আনুমানিক তিন হাজার থেকে ৭০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। ঢাকা থেকে সিলেট যেতে কত সময় লাগে?
ঢাকা থেকে সিলেট যেতে বাসে করে সময় লাগে ৬ থেকে ৭ ঘন্টা। তবে বিমানে গেলে অতি দ্রুত যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে সিলেটে বিমানে গেলে আনুমানিক ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগতে পারে। কক্সবাজার বিমান ভাড়া কত?
কক্সবাজার জনপ্রতি বিমান ভাড়া বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স অনুযায়ী ৩,৫০০ – ৪,০০০ টাকা।

আমি উদ্ভাস আইটির এডমিন, একজন অনলাইন ইনকাম ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। অনলাইন আয়ের বাস্তব ও কার্যকরী উপায়, প্রযুক্তির আপডেট এবং ডিজিটাল দুনিয়ার নানা দিক নিয়ে আমি নিয়মিত আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। লক্ষ্য একটাই—পাঠকদের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরা।
[ad_2]
Source link