
বন্দরে এখন পর্যন্ত হামের কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি এবং উপসর্গ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো রোগী ভর্তি হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত এ তথ্য পাওয়া গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাঁচটি ইউনিয়নে মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা মায়েদের সচেতন করতে কাজ করছেন।
উপজেলা ইপিআই টেকনোলজিস্ট মাহবুবুল আলম বলেন, “যেসব শিশু এখনো টিকা নেয়নি, তাদের টিকাদানে উদ্বুদ্ধ করতে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মাইকিং করা হচ্ছে।”
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে এবং জুমার খুতবায় হাম ও এর ভ্যাকসিন বিষয়ে আলোচনা করার জন্য ইমামদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে, এখন পর্যন্ত একজন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে এসেছে। তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং মঙ্গলবার ঢাকার পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা যায়, অনেকেই এখনো বাড়িতে সনাতন পদ্ধতিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন, যা নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। অভিভাবকদের প্রতি উপসর্গ দেখা মাত্র নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে সচেতন মহলের মতে, বন্দর উপজেলা ঢাকার নিকটবর্তী হওয়ায় অনেক রোগী সরাসরি নারায়ণগঞ্জ বা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী কম দেখা যাওয়া স্বাভাবিক হলেও বাস্তবে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।