
[ad_1]
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে চাঞ্চল্যকর জুয়েল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামি তানজিদ (২০) হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি এ জবানবন্দি প্রদান করেন। তানজিদ বন্দর থানার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকার আতিকুজ্জামান ওরফে আশিক মিয়ার ছেলে।
এর আগে নিহত জুয়েলের বড় ভাই সোহেল রানা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে বন্দর থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর ৩৩(৫)২৬। মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০-এর ১৪৪, ৪৪৭, ৪৪৮, ৪২৭, ৩০২, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত জুয়েল (৪৩) একজন ব্যবসায়ী ও দুই সন্তানের জনক ছিলেন। স্থানীয় তাওলাদ মিয়ার দুই ছেলে টিটু ও আল আমিনের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। ঘটনার কয়েকদিন আগে জুয়েলকে মারধরের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বন্দর থানার মদনগঞ্জ শান্তিনগর এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে সেলিম মোল্লার জমিতে জুয়েলকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন— সিমান্ত (২৪), রাকিবুল ইসলাম (২৩), খোকন (৩৮), ইশাত (২৩), ইনসান (২৪), ফাহিম (২২), আশিক (২৪), টিটু (৩৫) ও আল আমিন (৪২)।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তানজিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হলে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
তিনি আরও জানান, এ হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
[ad_2]