[ad_1]
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই কিশোরকে ডেকে এনে মারধর করে তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে গণপিটুনি দেওয়ার পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
বুধবার (২৪ জুন) রাতে বন্দর থানার ফরাজিকান্দা এলাকায় তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর টোলপ্লাজার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহতদের পক্ষ থেকে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী হাফিজুর রহমান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো— মোহিত (১৭), মোহাম্মদ তামিম (১৪), সৌরভ (১৭), মেহেদী হাসান (১৭) ও সাব্বির (১৫)। তারা সবাই বন্দর উপজেলার ইস্পাহানি এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার কামারবড়িয়া গ্রামের কিশোর লিমনের (১৪) সঙ্গে তামিমের পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে তামিম চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে লিমন ও তার বড় ভাইয়ের পরিচিত হাফিজুর রহমানকে বুধবার সন্ধ্যায় বন্দর খেয়াঘাট এলাকায় ডেকে আনে।
পরে তামিমসহ পাঁচ কিশোর একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে তাদের ফরাজিকান্দার তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর সামনে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের মারধর করে সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
ভুক্তভোগীদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে অভিযুক্তদের ধাওয়া করে আটক করে। পরে গণপিটুনি দিয়ে তাদের বন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বন্দর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ কিশোরকে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
[ad_2]