[ad_1]
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় সিফাত (২৬) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় হামলাকারীরা দোকানপাট ভাঙচুর চালিয়ে কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায়। সোমবার (৪ মে) রাতে বন্দর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কলাবাগ ঝাউতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত সিফাত বাদী হয়ে ফারদিন, ফারিয়াজ, বরাত, আরাফাত ও নিজামসহ ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে বন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন দুপুরে ঝাউতলা এলাকায় আলাউদ্দিনের বাড়ির সামনে নিবির (২৬) নামে এক যুবককে মারধর করছিল স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এ সময় সিফাতের বন্ধু সাজিদ (২৩) বাধা দিলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায় তারা।
পরে রাত প্রায় ১১টার দিকে ঝাউতলা গোলগল্পা দোকানের সামনে সিফাত ও সাজিদ অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গ্যাং লিডার ফারদিনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, ফারদিন ধারালো দা দিয়ে সিফাতের মাথায় কোপ দিলে তিনি হাত দিয়ে প্রতিহত করতে গেলে তার বাম হাতের তালু ও আঙুলে গুরুতর জখম হয়। অন্য হামলাকারীরা লোহার রড দিয়ে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
হামলার এক পর্যায়ে ফারদিন সিফাতের কাছ থেকে ৩ হাজার৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে অন্য আসামিরা সাজিদের অটো গ্যারেজে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়ে ক্যাশ থেকে ১০ হাজার টাকা লুট করে। এছাড়া স্থানীয় দোকানদার সাত্তার এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয় এবং তার হোটেলের প্রায় ২০ হাজার টাকার মালামাল ভাঙচুর করা হয়। হামলাকারীরা আশপাশের আরও দোকান ও বসতবাড়ির গেট ক্ষতিগ্রস্ত করে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে।
স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, চিহ্নিত এই কিশোর গ্যাং দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আসছে। দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মুক্তার আশরাফ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। উভয়পক্ষই অভিযোগ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
[ad_2]