
গত ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে আবারো ফতুল্লার কুতুবপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সকাল ৬টার দিকে সদর উপজেলার কুতুবপুর লাকিবাজার এলাকায় শওকত আলীর ভাড়া বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। দ্বগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন রিকশাচালক আব্দুল কাদের (৫০), তার বড় ছেলে মেহেদী (১৭) মেজো ছেলে রাকিব (১৬) ও ছোট্ট ছেলে শাকিব (১৪)।
প্রতিবেশীদের সূত্রে জানাগেছে, সকাল ছয়টার দিকে একটি বিকট শব্দ হয়। পরে ঘটনাস্থলে বাবা সন্তান সহ একই পরিবারের চারজন আগুনে ঝলসে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে।এবিষয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী ডা: শাওন বিন রহমান জানান, আগুনে দ্বগ্ধদের মধ্যে আব্দুল কাদের মিয়ার ৫৭ শতাংশ ও অন্য সদস্যদের আংশিক দ্বগ্ধ হয়ে। তাদের প্রত্যেকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে
এদিকে রোববার সকাল ৭টায় ফতুল্লার ভুইগড় গিরিধারায় গ্রাম বাংলা টাওয়ারের সামনে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধের ঘটনায় মো. কালাম (৩৫) মারা গেছেন। সোমবার বেলা ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, কালামের শ্বাষনালী সহ শরীরের ৯৫শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে কালামের স্ত্রী সায়মা ৬০ শতাংস, মুন্না ৩০ শতাংস, কথা ৫২ শতাংশ এবং মুন্নি ৩৫ শতাংশ নিয়ে ভর্তি আছে। তাদের সবার অবস্থাই খুবই আশঙ্কাজনক।
এর আগে রোববার (১০ মে) সকালে নিহত সবজি বিক্রেতা মো. কালাম (৩৫), তার স্ত্রী সায়মা (৩২) এবং তাদের ছেলে মুন্না (১২), দুই মেয়ে কথা (৪) ও মুন্নি (৭) দগ্ধ হয়।