[ad_1]
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাহিনা আক্তার (৪২) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
গত ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় ফতুল্লার মধ্য সস্তাপুর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় শাহিনা আক্তারকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, তার মুখমণ্ডলে ছয়টি সেলাই দিতে হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার ঘটনার দিন রাতেই ফতুল্লা মডেল থানায় গিয়ে বোরহান উদ্দিন (৩৩), সোলেমান (৪০), আসলাম (৩৫)সহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করতে গেলে পুলিশের গড়িমশির অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে আহতের গুরুতর অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে ১৫ এপ্রিল মামলাটি নথিভুক্ত করা হয় (মামলা নম্বর-৪৪/০৪/২০২৬)।
এদিকে ঘটনার সাত দিন পার হলেও কোনো আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। তাদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে এবং মামলা তুলে নিতে ধারাবাহিকভাবে হুমকি দিচ্ছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর কাজী ফেরদাউস জানান, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে তারা পলাতক থাকায় এখনো গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, জুবায়ের (২৭) নামে এক কোচিং সেন্টারের শিক্ষক সস্তাপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে কোচিং পরিচালনা করতেন। অভিযুক্তরা তার কাছে বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করত। একপর্যায়ে তিনি বাসা ছেড়ে দিলে বিষয়টি নিয়ে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
পরবর্তীতে জুবায়ের বিষয়টি শাহিনা আক্তারকে জানালে তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শাহিনার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে।
[ad_2]