[ad_1]
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দর উপজেলার দেউলী চৌরাপাড়া ও লক্ষণখোলা এলাকায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কার্যকর মশক নিধন কার্যক্রমের অভাবে ঘরে ঘরে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে। এতে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের চৌরাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া প্রতিদিনই ডেঙ্গুর বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে অনেক মানুষ হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। কিন্তু ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে না। নিয়মিত ফগার মেশিন পরিচালনা কিংবা ওষুধ ছিটানোর কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা ডা. মোস্তফা আলী বলেন, সিটি করপোরেশনের সব ওয়ার্ডেই রুটিন অনুযায়ী মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় সেখানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, কাগজে-কলমে কার্যক্রম জোরদারের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ (ক্র্যাশ) কর্মসূচি গ্রহণ এবং নাসিক প্রশাসকের সরাসরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
[ad_2]