• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনে ১৬৭টি ভোট কেন্দ্রের ৬৬টি ঝুঁকিপূর্ণ, অধিক ঝুঁকিতে ২১

Reporter Name / ৬ Time View
Update : বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন


মেঘনা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, আড়িয়াল খাঁ ও কাঁকন নদীবিধৌত নরসিংদী জেলার রায়পুরা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা হিসেবে পরিচিত। উপজেলার ২৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ২০৩ নম্বর সংসদীয় আসন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা)। এ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী-পুরুষ সহ মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ জন। এর মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ১৫ জন। আসন্ন নির্বাচনে এ আসনের মোট ১৬৭টি ভোট কেন্দ্রের ৯৮১টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ১৬৭টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬৬টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে ২১টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রকে ঘিরে নেওয়া হচ্ছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সবগুলো কেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে সিসি টিভির ব্যবস্থা। নির্বাচনের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যে রায়পুরা উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপন করেছে এবং নিয়মিত বিভিন্ন এলাকায় টহল কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এছাড়া দায়িত্বে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনে এবার বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে লড়বেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন। পাশাপাশি দলের নির্দেশনা অমান্য করে বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সহ সভাপতি জামাল আহমেদ চৌধূরী। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন, দশ দলীয় জোট সহ বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র থেকে আরও ৮ জন সহ মোট ১০ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মজিবুর রহমান বলেন, নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে থানা পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী নিয়ে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সবশেষ গত সোমবার চরাঞ্চলে অভিযানে দুটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও নির্বাচনী দায়িত্বের জন্য ৫৫ টি বডি অন ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজর দিবে পুলিশ।

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: মাসুদ রানা বলেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রায়পুরা উপজেলার ৬৬টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২১ টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রগুলোর ব্যাপারে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন আনসার ও প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তায় একজন সশস্ত্র আনসার থাকবে। এছাড়াও পুলিশ সদস্য, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন থাকবে।

তিনি আরও জানান- চরাঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে দুর্গম অঞ্চল এলাকা মির্জারচর, চাঁনপুর ও চরমধুয়া ইউনিয়নে ১৪টি কেন্দ্র রয়েছে। যেগুলোতে যানবাহন চলাচল করা অসম্ভব, সেসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যেনো দ্রুত যেতে পারেন সেজন্য স্পিডবোটের ব্যবস্থা করা হবে এবং অভ্যন্তরীণ চলাচলের জন্য ফোর্স থাকবে।

চরাঞ্চলের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যাপারে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বিভিন্ন সময় যৌথ অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করছে। এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া, নির্বাচনের আগে আরও কয়েকটি অভিযান হতে পারে।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts