
নরসিংদীর মনোহরদীতে বিলে মাছ ধরতে গিয়ে উদ্ধার হলো পুরনো গ্রেনেড। গত সোমবার বিকেলে উপজেলার দিগাকান্দি এলাকায় দুয়ার বিলে মাছ ধরতে গিয়ে এ গ্রেনেডটি পান জনৈক শিখা বেগম নামে এক নারী। জানা যায়, গত সেমাবার বিকেলে উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের দিগাকান্দি এলাকার দুয়ার বিলে মাছ ধরতে নামেন শিশুরা। এসময় বিকেল বেলা এক শিশুকে তার মা শিখা বেগম বিল থেকে আনতে যায়। সেখানে যাবার পর ওই নারীর পায়ের নিচে একটি ভারি বস্তু অনুভূত হয়। সে ভারি বস্তুটি পানির নিচ থেকে তুলে বিলের তীরে নিয়ে আসে। বস্তুটি তৎক্ষণাত ধুয়ে মুছে পরিস্কার করার পর ধারণা করা হয় গুপ্ত ধনের মতো কিছু একটা। এসময় বস্তুটি নিয়ে সে বাড়ি ফিরলে মানুষের মধ্যে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। ছোট্ট শিশুরাও মনের আনন্দে বস্তুটি নিয়ে খেলাধুলা শুরু করে। বস্তুটি নিয়ে এলাকাবাসীর মনে সন্দেহ হয়। পরে জনৈক ব্যক্তি ৯৯৯ এর মাধ্যমে বিষয়টি মনোহরদী থানা পুলিশকে অবহিত করেন। থানার ওসির নির্দেশে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশ সেখানে গিয়ে দেখে বস্তুতি অতি পুরাতন, জংধরা গ্রেনেড সদৃশ বস্তু দেখতে পায় । পুলিশ সাথে সাথে থানার উর্ধতন কর্মকর্তাকে ঘটনাটি অবহিত করে। পরে গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি পুলিশ হেফাজতে নিয়ে পানির নিচে রাখা হয় এবং বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঢাকাকে অবহিত করা হয়। এব্যাপারে শিখা বেগম জানান, বাচ্চারা মাছ ধরতে বিলে নামে, তাদের আনতে আমি বিকেলে বিলে যায়। বিলের পানিতে পা দিতেই শক্ত কিছু একটা আমার পায়ে লাগে, পরে তা উঠিয়ে দেখি ভারি লোহার মত কিছু একটি। প্রথমে ভেবেছি গুপ্ত ধন। তবে লোহা যেহেতু, বাড়ি নিয়ে যায়, বিক্রি করতে পারবো। এ ভেবেই আমি বাড়ি নিয়ে আসি, এর চেয়ে বেশী কিছু আমি জানিনা। পরে এলাকার কয়েকজন এটা দেখে গ্রেনেড বলতে থাকে। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে এটা নিয়ে যায়। এব্যাপারে মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে পানির নিচে রাখা হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঢাকাকে অবহিত করা হয়।