• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য ২৪ ঘণ্টায় উদঘাটন, বাবা গ্রেপ্তার মনোহরদীতে রামপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ১২ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেফতার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ গ্লোবাল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেধার বর্ণিল উৎসব, বৃত্তি ও সংবর্ধনায় কৃতীদের সম্মাননা এল কে ইউনিয়ন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা, সভাপতিকে ফুলের শুভেচ্ছায় বরণ মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ইউএনওর মনোহরদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সেরা খামারিদের পুরস্কার বিতরণ আপনার হোস্টিং সাইট কেন স্লো? সমাধান ও পরামর্শ Web Hosting কী? কেন ভালো Hosting আপনার ওয়েবসাইটের সফলতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? আপনার হোস্টিং সাইট কেন স্লো? সমাধান ও পরামর্শ

নরসিংদীতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সাফল্য: উপস্থিতি বৃদ্ধি ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে নতুন দিগন্ত

Reporter Name / ২৬৩ Time View
Update : সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ধরে রাখা ও পুষ্টির ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে নরসিংদী জেলার ছয়টি উপজেলায় চালু হওয়া ‘স্কুল ফিডিং কর্মসূচি’ ইতোমধ্যে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। জেলাজুড়ে এই উদ্যোগ শুধু ছাত্র-ছাত্রীদের দৈনিক উপস্থিতির হারই বাড়ায়নি, শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন উদ্দীপনা তৈরি করে অভিভাবকদেরও আস্থা অর্জন করেছে।

স্থানীয় শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি চালুর পর জেলার ছয়টি উপজেলার ৭৭৩টি বিদ্যালয়ে ১ লাখ ৫১ হাজার শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার গড়ে ১০% থেকে ১৫% পর্যন্ত বেড়ে গেছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক এলাকাগুলোতে যেখানে নিয়মিত অনুপস্থিতির হার তুলনামূলক বেশি ছিল, সেখানে পরিবর্তনটি চোখে পড়ার মতো।

সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমদাদুল হক বলেন, “শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে এই কর্মসূচি একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ। এখন অনেক অভিভাবকই তাদের সন্তানদের নিয়মিত স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী, কারণ তারা জানেন শিশুরা প্রতিদিন পাবে একটি পুষ্টিকর খাবার।”

কর্মসূচির আওতায় প্রতি শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে তিন দিন বন রুটি ও সিদ্ধ ডিম, এক দিন বন রুটি ও ইউএইচটি দুধ, এবং এক দিন ফোর্টিফাইড বিস্কুট ও কলা সরবরাহ করা হচ্ছে বলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ মো. আমিরুল হক শামীম বলেন, “এই উদ্যোগ শুধু উপস্থিতি বাড়াচ্ছে না, পাশাপাশি গ্রামীণ শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সহায়ক হচ্ছে। নিয়মিত ও মানসম্মত খাবার পাওয়ায় শিশুরা ক্লাসে বেশি মনোযোগী হচ্ছে, যা তাদের মেধার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

রায়পুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর অভিভাবক জানান, “আগে আমার মেয়ে স্কুলে যেতে চাইত না। এখন নিজে থেকেই প্রস্তুত হয়ে যায়। আমরা গরিব মানুষ—এখনকার বাজারে স্কুলের খাবারটা আমাদের জন্য অনেক বড় সহায়তা।”

তবে কর্মসূচির পূর্ণ সফলতার পথে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে। কিছু বিদ্যালয় থেকে খাবার সময়মতো সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব সমস্যা সমাধানে স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা কর্মকর্তারা নিয়মিত মনিটরিং চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সব তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নরসিংদীর স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রমাণ করেছে—শিক্ষার পাশাপাশি পুষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি আরও দৃঢ় করা সম্ভব।

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category