[ad_1]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এই আবেদন জানান।
গত রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে বাড্ডার বাসা থেকে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিমোকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মিমোর ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুটে সুদীপ চক্রবর্তীকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার বিষয় এবং স্যারের দেওয়া উপহার ফেরত দেওয়ার উল্লেখ ছিল। এই ঘটনায় ওই দিন দুপুরে মিমোর বাবা বাড্ডা থানায় সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন। পরে উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ সুদীপকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে দেওয়া আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সঙ্গে সুদীপ চক্রবর্তীর জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। এসআই কাজী ইকবাল হোসেন জানান, আপাতত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হলেও প্রয়োজনে পরবর্তীতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে।
এই ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থী মিমোর মৃত্যু ও চিরকুটে শিক্ষকের নাম আসার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
এসএফ
[ad_2]