
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে সাত কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। এ সড়কের কাচপুর থেকে আড়িয়াবো এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এ যানজট। এতে মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী, পরিবহন চালক ও শ্রমিকরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে রূপসী ও বরাবো বাসস্ট্যান্ডে যানজট সৃষ্টি হয়। থেমে থেমে এ পরিস্থিতি সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকে। সন্ধ্যার পর থেকে পরিস্থিতির ব্যাপকতা বেড়ে সাত কিলোমিটার সড়ক পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লেগে যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহাসড়ক উন্নীতকরণ কাজ, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, নিয়ম ভঙ্গ করে রুটের গাড়ির একাধিক লাইন করাসহ বিভিন্ন কারণেই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকে যানবাহনের লাইন বিস্তৃত হয়ে পড়ে।

মাহিন মিয়া নামের ভুক্তভোগী এক যাত্রী বলেন, ‘দুপুর দুইটা থেকে মহাসড়কের রূপসী ও বরাবো বাসস্ট্যান্ড থেকে যানজট সৃষ্টি হয়। জ্যামে বসে থেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে।’
লেগুনাচালক বুলবুল ইসলাম বলেন, ‘কাচপুর থেকে যানজটে আটকা পড়েছি। এক ঘণ্টা লেগেছে বরপা আসতে। অথচ এটুকু রাস্তা পাঁচ মিনিটে আসা যেত। যানজট হলে আমাদের আয় রোজগার কম হয়।’
মহাসড়কের পাশের হোটেল ব্যবসায়ী আব্দুল করিম মিয়া বলেন, ‘দুপুর ২টা থেকে যানজট শুরু হয়েছে। সন্ধ্যার পর এই যানজট বেড়ে কাচপুর থেকে আড়িয়াবো পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে বসে মানুষজন ভোগান্তি পোহাচ্ছে।’

এ বিষয়ে ভুলতা হাইওয়ে পুলিশ পরিদর্শক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘মহাসড়ক উন্নীতকরণ কাজ চলমান ঢাকায় কিছুটা প্রতিবন্ধকতা, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, নিয়ম ভঙ্গ করে রুটের গাড়ির একাধিক লাইন করাসহ বিভিন্ন কারণেই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। তবে যানজট নিরসনে আমাদের হাইওয়ে পুলিশ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’
এই খবরটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন