[ad_1]
চশমা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। যারা নিয়মিত চশমা ব্যবহার করেন, তারা জানেন লেন্সে দাগ, ধুলো বা তেল জমে গেলে পরিষ্কার দেখা কঠিন হয়ে যায়।
তাই চশমা পরিষ্কার করার উপায় জানা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার না করলে লেন্সে স্ক্র্যাচ পড়তে পারে এবং পাওয়ার গ্লাসের ক্ষতি হতে পারে।
এই আর্টিকেলে আমরা জানবো চশমা পরিষ্কার করার সঠিক নিয়ম, কোন জিনিস ব্যবহার করা উচিত, কোনটি এড়িয়ে চলতে হবে এবং কীভাবে চশমা দীর্ঘদিন ভালো রাখা যায়।
চশমার লেন্স সাধারণত প্লাস্টিক বা গ্লাস দিয়ে তৈরি হয় এবং এতে বিশেষ কোটিং (অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ, ব্লু-লাইট ফিল্টার ইত্যাদি) থাকে। ভুলভাবে পরিষ্কার করলে
তাই নিয়ম মেনে চশমা পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি।
অনেকে তাড়াহুড়ো করে ভুল জিনিস দিয়ে চশমা মুছে ফেলেন। নিচের জিনিসগুলো ব্যবহার করা একদম ঠিক নয়
এসব জিনিস লেন্সে স্থায়ী দাগ বা স্ক্র্যাচ ফেলতে পারে।
আপনার চশমা যদি দীর্ঘদিন পরিস্কার না করা হয় তাহলে এর উপর তেল তেলে ভাব দেখা যায় এবং ময়লার স্তর জমে যায়। যার ফলে চশমার লেন্স ব্যবহার করতে সমস্যা হয়।
চশমা পরিধান করলে সামনে ভালোমতো কোন কিছু দেখা যায় না। এজন্য আপনাদের অবশ্যই সব সময় চশমার লেন্স অথবা কাচ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
অবশ্যই পড়বেনঃ
তাই আপনাদের সঠিক নিয়মে চশমা পরিস্কার করার জন্য চশমা পরিস্কার করার উপায় সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।
হ্যাঁ, অপটিক্যাল শপে পাওয়া বিশেষ চশমা ক্লিনিং স্প্রে ব্যবহার করা নিরাপদ। তবে নিশ্চিত হতে হবে যে এটি লেন্স কোটিংয়ের জন্য উপযুক্ত।
বিশেষ করে যেসব লেন্সে অ্যান্টি-গ্লেয়ার বা ব্লু-কাট কোটিং থাকে, সেগুলোর জন্য নির্দিষ্ট ক্লিনার ব্যবহার করা উচিত।
চশমা আমাদের চোখের জন্য অতি প্রয়োজনীয় জিনিস। বিশেষ করে যাদের বয়স বেশি হয়ে থাকে তাদের অনেক সময় চোখের সমস্যা দেখা যায় সেই সময়ে চশমার প্রয়োজন হয়।
তাছাড়াও চোখকে ব্লু লাইট থেকে রক্ষা করার জন্য ব্লু কাট ব্যবহার করা হয়। তবে আপনাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা চশমা গ্লাস কত প্রকার এ সম্পর্কে জানে না। চশমার গ্লাস প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
তাছাড়াও চশমার গ্লাস আরো অনেক প্রকারের হয়ে থাকে।সাধারণভাবে চশমার গ্লাসকে বিভিন্ন কাজের উপর ভিত্তি করে ভাগ করা হয়ে থাকে। তা নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ
প্রেসক্রিপশন চশমাঃ এই চশমা গুলো সাধারণত ডাক্তাররা প্রেসক্রিপশন করে থাকে। অর্থাৎ যাদের চোখে সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের চশমা দেওয়া হয়ে থাকে।
বিশেষ করে যেসব ব্যক্তিরা দূরের অথবা কাছের জিনিস দেখতে পায় না তাদের জন্য ডাক্তাররা এ ধরনের প্রেসক্রিপশন চশমা দিয়ে থাকে।
প্রেসক্রিপশন চশমা সাধারণত বিভিন্ন পাওয়ারের হয়ে থাকে।চশমার লেন্সের পাওয়ার সাধারণত চোখের সমস্যার উপর নির্ভর করে দেওয়া হয়ে থাকে।
পড়ার চশমাঃ সাধারণত এ ধরনের চশমা গুলো নিকটবর্তী কোন বস্তু দেখার জন্য পড়া হয়ে থাকে। যেসব ব্যক্তিরা কাছে জিনিস কম দেখে তাদের জন্য এসব চশমা দেওয়া হয়। তাহলে বলা যায় কাছের জিনিস ভালো করে দেখার জন্য পড়ার চশমা ব্যবহার করা হয়।
কম্পিউটার চশমাঃ আপনার হয়তো এই চশমা সম্পর্কে আগেই জেনেছেন। চোখকে কম্পিউটার বা মোবাইল স্কিনের ক্ষতিকর নীল আলো থেকে রক্ষা করার জন্য এ ধরনের কম্পিউটার চশমা বা ব্লু কাট চশমা ব্যবহার করা হয়।
সানগ্লাসঃ এ ধরনের চশমাগুলোর সাধারণত সূর্যের আলোর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে চোখকে রক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাছাড়াও ফ্যাশান করার ক্ষেত্রেও এ ধরনের সানগ্লাস চশমা ব্যবহার করা হয়।
নিরাপত্তা চশমাঃ বিভিন্ন ধরনের গবেষণা কেন্দ্র অথবা কলকারখানায় কাজের ক্ষেত্রে এ ধরনের চশমা ব্যবহার করা হয়। মূলত কল কারখানায় চোখের নিরাপত্তার জন্য চশমা গুলো ব্যবহার করা হয়।
বিশেষ করে গবেষণা কেন্দ্রে বিভিন্ন ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্নি নিয়ে পরীক্ষা করা হয়ে থাকে যার কারণে এ ধরনের নিরাপত্তা চশমা ব্যবহার করা হয়।
গেমিং চশমাঃ সাধারণত যারা গেমিং করতে পছন্দ করেন এবং কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত গেম খেলে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে চোখের চাপ ও প্রেসার কমাতে এ ধরনের চশমা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
আধুনিক চশমা আবিষ্কারক হলেন গিরোলামো সাভোনারোলা। যিনি একজন ইতালীয় নাগরিক। তাকে বর্তমানে চশমার আবিষ্কারক বলা হয়ে থাকে।
তাছাড়া এক সূত্রে জানা গেছে আল-হাসান ইবন হায়্যান ইবনু সাব্বাহ নামে বিজ্ঞানী চশমা আবিষ্কার করেছে। এ নিয়ে অনেক মতবিরোধ রয়েছে।
তবে আমরা উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী বলতে পারি চশমা গিরোলামো সাভোনারোলা নামক ইতালীয় ব্যক্তি আবিষ্কার করেছেন।
সঠিকভাবে চশমা পরিষ্কার করার উপায় জানা থাকলে লেন্স দীর্ঘদিন পরিষ্কার ও স্ক্র্যাচমুক্ত থাকে। হালকা কুসুম গরম পানি, মৃদু সাবান এবং মাইক্রোফাইবার কাপড় এই তিনটি জিনিসই যথেষ্ট। ভুল পদ্ধতি এড়িয়ে চললে আপনার চশমা দীর্ঘদিন নতুনের মতো থাকবে।
আপনি যদি নিয়মিত চশমা ব্যবহার করেন, তাহলে আজ থেকেই সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
টিস্যু দিয়ে চশমা মুছলে কি সমস্যা হয়?
হ্যাঁ। টিস্যুতে রুক্ষ ফাইবার থাকে, যা লেন্সে সূক্ষ্ম স্ক্র্যাচ ফেলতে পারে। শুধু পানি দিয়ে চশমা পরিষ্কার করা যায়?
হ্যাঁ, হালকা ধুলা হলে শুধু পানি যথেষ্ট। তবে তেল বা দাগ থাকলে হালকা সাবান ব্যবহার করা ভালো। অ্যালকোহল ব্যবহার করা যাবে?
সাধারণত সরাসরি অ্যালকোহল ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে লেন্সের কোটিং নষ্ট হতে পারে।

আমি উদ্ভাস আইটির এডমিন শিহাব, একজন অনলাইন ইনকাম ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। গত ৫ বছর যাবত আমি ব্লগিং এর সাথে যুক্ত রয়েছি। অনলাইন আয়ের বাস্তব ও কার্যকরী উপায়, প্রযুক্তির আপডেট এবং ডিজিটাল দুনিয়ার নানা দিক নিয়ে আমি নিয়মিত আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। লক্ষ্য একটাই পাঠকদের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরা।
[ad_2]
Source link