[ad_1]
আপডেটঃ ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ এড়িয়ে গেলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ারও কোনো ‘মানে নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান সামনে রেখে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়েই হতে হবে। ‘সংবিধানে নেই’—এই যুক্তিতে কেউ যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে না চান, তাহলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ারও কোনো অর্থ থাকে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের রায় স্পষ্ট হয়েছে এবং সেই রায়ের বাস্তবায়নে গড়িমসি গ্রহণযোগ্য নয়।গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপি নেতাদের দাবি, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হওয়ায় জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের দায়িত্ব সংবিধান সংস্কার পরিষদের ওপর বর্তাবে। তাদের মতে, ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যরাই এই পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ফলে এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি তাদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও আলাদাভাবে শপথ নিতে হবে।
তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিষয়টি সংবিধানে ধারণ করতে হলে সংশোধনী আনতে হবে, তৃতীয় তফশিলে শপথের ফরম যুক্ত করতে হবে এবং কে শপথ পাঠ করাবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই এ ধরনের শপথ গ্রহণের প্রশ্ন আসতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।সালাহউদ্দিন আহমদের এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ফেসবুক পোস্টে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচন কোন সংবিধানে ছিল জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ?’ তার এ মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
IPCS News : Dhaka :
[ad_2]