• সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
ক্ষমতাসীনদের তুষ্ট রাখতেই সব সময় ব্যস্ত থাকে দেশের প্রশাসন: আখতার ট্রাম্পকে ইরানে নয়, নিজ দেশে নজর দিতে বলছেন উপদেষ্টারা ইইউর বাজারে একাধিক প্রধান প্রতিযোগীর তুলনায় ভালো করছে বাংলাদেশ গাজার পক্ষে বিস্ফোরক প্রতিবাদ, পুরস্কার ফিরিয়ে দিলেন নির্মাতা চাঁদাবাজি ঠেকাতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কঠোর বার্তা আইজিপির ভাষা শহীদদের প্রতি তিন বাহিনীর প্রধানদের শ্রদ্ধা ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা নয়াদিল্লির গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শপথের প্রয়োজন নেই, হ্যাঁ অটোমেটিক কার্যকর হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী গাজায় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীতে সেনা পাঠাচ্ছে ৫ দেশ

ইইউর বাজারে একাধিক প্রধান প্রতিযোগীর তুলনায় ভালো করছে বাংলাদেশ

Reporter Name / ৪ Time View
Update : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন


গত পাঁচ বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সামগ্রিক আমদানি প্রবৃদ্ধি সীমিত থাকলেও, ইইউ বাজারে একাধিক প্রধান প্রতিযোগীর তুলনায় ভালো করেছে বাংলাদেশ। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২০২৫ সময়ে ইইউর পোশাক আমদানি বাজার সম্প্রসারিত হয়েছে, তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রবৃদ্ধির গতি স্পষ্টভাবে ধীর হয়েছে।

২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের দুই বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিশ্ববাজার থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক আমদানি মাত্র ২.১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৮.১৫ বিলিয়ন ইউরো থেকে বেড়ে ৯০.০০ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে। এই দুই বছরে বাংলাদেশ থেকে আমদানি ৫.৯৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৯.৪১ বিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া, একই সময়ে চীন থেকে আমদানি ১.১৭ শতাংশ বেড়ে ২৬.২৭ বিলিয়ন ইউরো থেকে ২৬.৫৮ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশ থেকে আমদানি ১৮.৩২ বিলিয়ন ইউরো থেকে ৫.৯৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৯.৪১ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। এর বিপরীতে, একই সময়ে তুরস্ক থেকে আমদানি কমেছে ১০.৭৩ শতাংশ।

তবে ২০২১ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি চিত্রটা ভিন্ন। বিশ্ববাজার থেকে ইইউ-এর পোশাক আমদানি ৭২.২৫ বিলিয়ন ইউরো থেকে ৯০.০০ বিলিয়ন ইউরোতে উন্নীত হয়েছে, যা ২৪.৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি। এই সময়ে চীন থেকে আমদানি ২১.৪৮ শতাংশ (২১.৮৮ বিলিয়ন থেকে ২৬.৫৮ বিলিয়ন ইউরো), বাংলাদেশ থেকে ৩৫.৮১ শতাংশ (১৪.৩০ বিলিয়ন থেকে ১৯.৪১ বিলিয়ন ইউরো) এবং ভারত থেকে ৩৩.১৮ শতাংশ (৩.৪০ বিলিয়ন থেকে ৪.৫২ বিলিয়ন ইউরো) বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, তুরস্ক থেকে আমদানি ২০২১ সালের ৯.২২ বিলিয়ন ইউরো থেকে ২০২৫ সালে ৮.৩৪ বিলিয়ন ইউরোতে নেমেছে, যা ৯.৪৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। 

বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক এবং ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বাসসকে বলেন, ‘গত দুই বছরে ইইউ’র সামগ্রিক আমদানি প্রবৃদ্ধি সীমিত থাকলেও বাংলাদেশ কয়েকটি প্রধান প্রতিযোগী দেশের তুলনায় ভালো করেছে। প্রায় ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি-যেখানে বাজারের প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ২ শতাংশের কিছু বেশি-সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক সংকেত। দীর্ঘমেয়াদে চীন ও তুরস্কের তুলনায় বাংলাদেশ তার আপেক্ষিক অবস্থান শক্তিশালী করেছে। এটি প্রতিযোগিতামূলক মূল্য, সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতা এবং ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন। তবে বছরের শেষে আমরা আমাদের অবস্থান পুরোপুরি ধরে রাখতে পারিনি।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts