• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ফায়ার সার্ভিসের মহড়া মনোহরদীতে ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে বজ্রপাত মোকাবিলায় ২ হাজার তালবীজ রোপণ বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস: সীমাবদ্ধতা নয়, সম্ভাবনাই হোক পরিচয় মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার মনোহরদীতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ সম্প্রচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ

আমাদের কোরবানি যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়: শায়খ আহমাদুল্লাহ

Reporter Name / ১২৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

জনপ্রিয় আলেম ও আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ইউটিউব চ্যানেলে ঈদুল আজহায় পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। ‘আমাদের কুরবানীর ইবাদত যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়’ শিরোনামে তার আলোচনার ভিডিও তার ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে পোস্ট করা হয় গত ২৭ মে ২০২৬। শায়খ আহমাদুল্লাহর আলোচনার সংক্ষীপ্তসার জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন,

“আমরা কোরবানি করি আল্লাহকে খুশি করবার জন্য। সেই কোরবানি করার পর আমাদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা বা আমাদের দায়িত্বহীন কোনো কাজকর্ম এটি যদি আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হয় তাহলে আপনার কোরবানি অর্থবহ হলো না।

আজকাল দেখা যায় অনেকেই যেখানে সেখানে পশু জবাই করার পর পশুর রক্ত সেটা ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করেন না। বরং রাস্তাঘাটে পশুর রক্ত পড়ে থেকে শুকিয়ে প্রচন্ড দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। মানুষের অসুস্থ হয়ে যাওয়ার মত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়। এটা অবশ্যই গুনাহের কাজ। কোনো ইমানদারের জন্য এটা জায়েজ নয়।

যেখানে রাস্তায় কষ্টদায়ক কিছু কেউ ফেলে রাখলে সেটা তুলে ফেলাকে হাদিসে সুনির্দিষ্ট করে ইমানের অঙ্গ বলা হয়েছে, সেখানে নিজে থেকে মানুষের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা, দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এমন কোনো কাজ করা, দিনের পর দিন মাসের পর মাস মানুষের কষ্ট ও অসুস্থতার কারণ হওয়া সন্দেহাতিতভাবে গুনাহের কাজ।

সুতরাং কোরবানির পশুর বর্জ্য, মলমূত্র, রক্ত, ভুঁড়ির ময়লা এগুলো অবশ্যই আমাদেরকে যথাস্থানে ফেলে দিতে হবে যাতে মানুষের কষ্টের কারণ না হয়। কোরবানির আগে এবং কোরবানির পরে আমাদেরকে এ বিষয়ে যথেষ্ট দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। না হলে আমাদের আল্লাহর কাছে গুনাহগার হওয়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে।

একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের জন্য একজন মানুষের কষ্টের কারণ হওয়াও উচিত নয়। নবী করীম (সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন) বলেছেন, যে মুসলমানের হাত ও মুখ থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে, যে মুসলমান কারো কষ্টের কারণ না হয়, তিনি হলেন সত্যিকারের মুসলমান।

তাই আমাদের কোরবানির পশুর বর্জ্য; জবাইয়ের আগের মলমূত্র হোক আর জবাইর পরে রক্ত বা অন্যান্য বর্জ্য হোক, পরিষ্কার করে যথাস্থানে ফেলা। এটি আমাদের নৈতিক এবং দ্বীনি দায়িত্ব, ইমানি দায়িত্ব। আমরা এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করব। আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার তওফিক দান করুন।”

এই খবরটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category