
প্রতিবেশী আফগানিস্তানের কোনো অংশ দখল করার কোনো উদ্দেশ্য পাকিস্তানের নেই বলে জানিয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ। সম্প্রতি দুই দেশের সীমান্ত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির টানাপোড়েনের মধ্যে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা হলো।
বুধবার (১ এপ্রিল) জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সানাউল্লাহ এসব তথ্য দেন।
তিনি বলেন, পাকিস্তান কখনোই যুদ্ধ চাপিয়ে দিতে চায়নি। ইসলামাবাদের একমাত্র দাবি হলো—আফগান ভূমি যেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের কাজে ব্যবহার করা না হয়। কাবুল যদি এ ধরনের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দেয়, তবে দুই দেশের মধ্যে আর কোনো বিরোধ থাকবে না।
সানাউল্লাহ দাবি করেন, পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা পরিচালনাকারী ‘জঙ্গিদের আস্তানা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ নির্মূল করাই ছিল সাম্প্রতিক অভিযানের মূল লক্ষ্য।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের জঙ্গি ঘাঁটি পুনরায় সক্রিয় হলে তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং প্রয়োজনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এক পৃথক বক্তব্যে জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবাদ এখনো পুরোপুরি নির্মূল হয়নি এবং এর বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাকিস্তান সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ক্রমান্বয়ে সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
খাজা আসিফ আরও উল্লেখ করেন, সন্ত্রাসী শক্তিকে মদত দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত আফগান সরকারের সঙ্গে ঈদ উপলক্ষে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর ছিল। তবে দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার স্বার্থে পাকিস্তান তার অবস্থান থেকে সরবে না বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।