[ad_1]
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত হওয়ার খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে দাবি করেছে সরকার। শনিবার (১৮ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংস্কারে ব্যর্থতার অভিযোগে বাংলাদেশের জন্য আইএমএফের ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিতের যে খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ সত্যবর্জিত এবং আইএমএফ আসলে এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আইএমএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুটি ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত বৈঠক করেছেন। প্রথম বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন ও তাঁর দলের সঙ্গে এবং দ্বিতীয় বৈঠকটি হয় আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) নাইজেল ক্লার্ক ও তাঁর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গি, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ব্যাংক-আর্থিক খাতের সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। অধিকাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হলেও সরাসরি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কারণে মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে। তবে উভয় পক্ষই আলোচনা চলমান রাখতে সম্মত হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে যে আলোচনার মাধ্যমে সব বিষয়ে একমত হওয়া সম্ভব হবে।
আইএমএফ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীজন এবং গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত এই বর্তমান সরকারের সময়কালে তারা উন্নয়নের সহযোগী হিসেবেই পাশে থাকতে চায়। সরকার আরও স্পষ্ট করেছে যে, শুক্রবার কোনো বৈঠক হয়নি এবং শনিবারের দুটি বৈঠকেও এমন কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি যাতে ঋণ স্থগিতের বিষয়টি উঠে আসতে পারে। এর আগে গণমাধ্যমে আইএমএফের পক্ষ থেকে পরবর্তী কিস্তি ছাড় নিয়ে নেতিবাচক বার্তা দেওয়ার খবর প্রকাশিত হলেও সরকার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে।
এসএফ
[ad_2]