• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ মনোহরদীতে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গাজীপুর থেকে একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে গাঁজা সেবন করে উশৃঙ্খল আচরণ, যুবকের ৫ মাসের কারাদণ্ড

যারা দোকান বিক্রি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সাখাওয়াত

Reporter Name / ১০২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন

[ad_1]

নগরীর চাষাঢ়াস্থ হকার মাকের্ট পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আলোচিত প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তিনি হঠাৎ এ মাকের্টটি পরিদর্শনে আসেন।

 

এসময় তিনি মার্কেটের একাধীক দোকানিদের সাথে কথা বলেন। তিনি জানতে চান, এখানে যারা দোকানি রয়েছেন তারা হকার কি না? কিন্তু উত্তরে সবাই বলেন, না। আমরা সবাই ভাড়া নিয়ে দোকান চালাচ্ছি।

 

দোকানিদের এ কথা শুনে রীতিমত অবাক হন নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত। তিনি দোকানিদের বলেন, “এখানে আপনারা থাকতে পারবেন না। সিটি কর্পোরেশন হকারদের পুর্নবাসনের জন্য এ মার্কেট করে দিয়েছে। সেই হকাররাই যদি না থাকে তাহলে এ মার্কেটই থাকবে না।”

 

এদিকে পরিদর্শন শেষে নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, “আপনারা সবকিছুই পর্যবেক্ষণ করলেন। এই জায়গায় ৬৭২ জন হকারকে পুনর্বাসন করা হয়েছিল। আমি আজকে সরেজমিনে তদন্ত করে দেখলাম যে, যেসব হকাররা এখানে বরাদ্দ পেয়েছিল, তাদের মধ্যে একজনও এখন এখানে নেই। তারা কেউ দোকান বিক্রি করেছে, কেউ আবার ভাড়া দিয়ে ফুটপাতে গিয়ে ব্যবসা করছে।”

 

তিনি বলেন, “এটা তো সিটি কর্পোরেশনের জায়গা। তারা এটা বিক্রি করতে পারে না এবং ভাড়াও দিতে পারে না। আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, ৬ জনের দোকান একত্রিত করে বড় দোকান তৈরি করে তারা ব্যবসা চালাচ্ছে। আমি মনে করি এটা অন্যায়। যেসব হকাররা বরাদ্দ পাওয়ার পরও আবার ফুটপাতে বসার জন্য আন্দোলন করছে, আমি তাদের এই অবৈধ দোকানগুলো ভেঙে দিব এবং প্রকৃত হকারদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করব।”

 

এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত বলেন, “যারা বরাদ্দ পাওয়ার পরও দোকান বিক্রি করে দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা সমস্ত নথিপত্র এবং আইনগত দিক বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category