• মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
নতুন সরকারে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ১৮ মাস পর আ.লীগের ঝটিকা মিছিল পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় কার্যালয়ে আগুন – IPCSBDPress স্বাস্থ্যমন্ত্রী হলেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল দেশ ও জনগণের স্বার্থই আমাদের কাছে প্রথম: তারেক রহমান কী, কেন এবং কীভাবে? ব্যাখ্যা দিলেন ডা. তাসনিম জারা – IPCSBDPress জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে এনসিপি, ধন্যবাদ জানালেন প্রধান উপদেষ্টা নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে মদনপুরে দিনব্যাপী রান্নার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত জুলাই সনদের নির্দেশনামতে ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে নরসিংদীতে ৫ টি আসনে ৪১ প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত রমজান মাসে নিম্ন ও মাধ্যমিক বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

মান্নার বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ আদালতের

Reporter Name / ২০২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন


বগুড়ার শিবগঞ্জে আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলে বড় ধরনের জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। পলাতক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) ভুয়া উপস্থিতি দেখিয়ে বোর্ড সভার রেজুলেশন তৈরি, স্বাক্ষর জাল এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। এ বিষয়ে দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল বলেন, আদালতের আদেশের কপি পেয়েছি। এ বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।আদালত সূত্রে জানা যায়, ঋণ জালিয়াতি ও পুনঃতফসিলের অনিয়মের অভিযোগে মিল্লাত হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আফাকু কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরী জুলাই গণহত্যার ৯টি মামলার আসামি। তিনি এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও তার স্ত্রী ইসমত আরা ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান। অথচ ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর ব্যাংকে জমা দেয়া বোর্ড রেজুলেশনে তাদের বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক এলাকায় অবস্থিত আফাকু কোল্ড স্টোরেজের অফিসে উপস্থিত দেখিয়ে সভায় অংশগ্রহণ ও স্বাক্ষরের তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এই মামলায় আফাকু কোল্ড স্টোরেজের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না ছাড়াও ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক খানসহ ব্যাংকটির আরও ৪ শীর্ষ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের বড়গোলা শাখার দেয়া চিঠি সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডকে ২২ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়। যা সুদ ও মুনাফাসহ বর্তমানে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকায়। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ চিঠিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে ছয়বার ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা পেয়েছে। লাভজনক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা হয়েছে বলে খোদ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চিঠিতে উল্লেখ করেছে।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts