• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে দ্য আল-হেরা ফাউন্ডেশনের কুইক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে খাল খনন সম্পন্ন, প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও মনোহরদী থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাহতাবুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৯৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার। মনোহরদীতে সাগরদী বাইপাস সড়কে খিদিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

মাধবদীতে আওয়ামী লীগের দুর্গে ধস: ভিপি নাসিরের নেতৃত্বে ‘অজেয়’ আনন্দী এখন বিএনপির দখলে।

Reporter Name / ১৬৮ Time View
Update : রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছর পর নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভায় রাজনীতির মানচিত্র বদলে গেল। যে কেন্দ্রটিকে একসময় আওয়ামী লীগের ‘অভেদ্য দুর্গ’ বলা হতো, সেই ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদীর গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব খায়রুল কবির খোকন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই অভাবনীয় ফলাফল কেবল একটি জয় নয়, বরং নরসিংদীর রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। আর এই অসাধ্য সাধনের মূল কারিগর হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন নরসিংদী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি, ক্লিন ইমেজের নেতা ভিপি নাসির।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, স্বাধীনতার পর থেকে এই কেন্দ্রে ধানের শীষের কোনো প্রার্থী জয়ের মুখ দেখেননি। কিন্তু ভিপি নাসিরের বিচক্ষণতা, সুদৃঢ় নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং আধুনিক নির্বাচনী পরিকল্পনার কাছে হার মেনেছে দীর্ঘদিনের সেই রাজনৈতিক সমীকরণ। তরুণ এই নেতার সৃজনশীল নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ এবার ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়েছেন।

নির্বাচনী লড়াইয়ে ভিপি নাসিরের ছায়া সঙ্গী হিসেবে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মোহাব্বত আলী, মো: সামসুল হক,কবির হোসেন, মামুন,জোহর আলী,বাবুল, উজ্জল ও সুজনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তাদের সুচিন্তিত পরিকল্পনা ও দলীয় শৃঙ্খলার কারণেই আনন্দী কেন্দ্র থেকে বিএনপির প্রার্থীকে সর্বাধিক ভোট দিয়ে বিজয়ী করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, তরুণ প্রজন্মের অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে যে কোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়, ভিপি নাসির ও তাঁর দল আজ তাই প্রমাণ করেছেন।
এই বিজয় কেবল খায়রুল কবির খোকনের ব্যক্তিগত জয় নয়, বরং এটি দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলায়তন ভাঙার গল্প। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং একটি সমৃদ্ধ আগামীর লক্ষ্যে আনন্দীবাসী যে পরিবর্তন চেয়েছিল, ভোটের ফলাফলে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাধবদীর এই রেকর্ড ভঙ্গকারী বিজয় আগামী দিনে স্থানীয় রাজনীতিতে তরুণ নেতৃত্বের এক বিশাল মাইলফলক হয়ে থাকবে। ঐক্য, কৌশল আর জনগণের ভালোবাসা থাকলে যে কোনো দুর্ভেদ্য দুর্গ জয় করা সম্ভব—ভিপি নাসির ও তাঁর সহযোদ্ধারা সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিয়েছেন।

ভিপি নাসিরের হাত ধরে তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের স্বপ্নের মাধবদী বিনির্মান হবে এমনটাই স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts