[ad_1]
মন্ত্রিপাড়া থেকে নানা রকম চাপ সৃষ্টি করেই তাদের প্যানেল সদস্য মাহিন সরকারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী জামালুদ্দীন মুহাম্মাদ খালিদ। তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমাদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় তারা এমন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। কিন্তু আমরা দমে যাওয়ার মানুষ নই। সব কার্যক্রম আগের মতোই চলছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি। এর আগে, দুপুরে মধুর ক্যান্টিনে ক সংবাদ সম্মেলনেআসন্ন ডাকসু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেল থেকে জিএস পদের প্রার্থিতা করা মাহিন সরকার। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের আবু বাকের মজুমদারকে সমর্থন দিয়েছেন তিনি।
খালিদ বলেন, প্যানেলে নাম আসার আগেই মাহিনের ওপর দলীয় চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। এমনকি তাকে দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়। শেষ পর্যন্ত এলাকার পক্ষ থেকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমি তাকে বলেছিলাম ভালো করে ভেবে দেখতে, তবে সম্ভবত সেই চাপ সহ্য করতে না পারাতেই সে সরে গেছে। শুধু মাহিন সরকারই না, প্যানেলের অন্য প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র দূর থেকে পরিচালিত হলেও এতে তাদের মনোবল ভাঙেনি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছে আমাদের সাড়া দেখে তারা এমন ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু আমাদের মনোবল চাঙ্গা আছে। আমরা মাঠ ছাড়ব না। আমাদের সব কাজ চলমান। মাহিন সরকারকে নিয়ে জুলাই শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার ফ্লেমিং করা হচ্ছে। তাহলে এখানে প্যানেলে যারা আছে, তারা কি জুলাইয়ের সম্মুখসারির যোদ্ধা না? আমাদের প্যানেলে জুলাইয়ে আহত অনেকজন আছে। জুলাই অভ্যুত্থানের কারও একার শরিকানা নয়।
প্যানেলের সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদপ্রার্থী ফাতেহা শারমিন এ্যানি বলেন, একজন ব্যক্তির কারণে আমরা ভেঙে পড়বো না। আমাদের ভয় দেখানো হচ্ছে লেজুড়বৃত্তির নামে, অথচ আমরা সব সময় দলীয় লেজুড়বৃত্তির বিরুদ্ধেই লড়াই করেছি। মাঠে থেকে সংগ্রাম করেই আজকের অবস্থানে এসেছি।
[ad_2]