• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে দ্য আল-হেরা ফাউন্ডেশনের কুইক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে খাল খনন সম্পন্ন, প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও মনোহরদী থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাহতাবুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৯৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার। মনোহরদীতে সাগরদী বাইপাস সড়কে খিদিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের অনুমতি পেলো প্রথম কোনো বেসরকারি হাসপাতাল

Reporter Name / ১১৮ Time View
Update : রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

দেশের বেসরকারি হাসপাতালে প্রথমবারের মতো বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট পরিচালনার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেলো আজগর আলী হাসপাতাল। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তকে বিশেষজ্ঞরা দেশের জটিল চিকিৎসা ব্যবস্থায় নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্যখাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি খাতের বাইরে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের সুযোগ বাড়লে রোগীরা চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা কমবে এবং দেশে জটিল রোগ ব্যবস্থাপনায় নতুন অধ্যায় সূচিত হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকার গেন্ডারিয়ায় অবস্থিত আজগর আলী হাসপাতালকে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম তার অফিস কক্ষে অনুমতিপত্রটি তুলে দেন। হাসপাতালের পক্ষে এটি গ্রহণ করেন সিইও ও পরিচালক প্রফেসর ডা. জাবরুল এসএম হক। বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে এটাই প্রথম কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন। ১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে এই অনুমতিপত্র কার্যকর হয়েছে, যা এক বছরের জন্য বৈধ থাকবে। প্রতি বছর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী অনুমতিপত্র নবায়ন করতে হবে।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts