• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে দ্য আল-হেরা ফাউন্ডেশনের কুইক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে খাল খনন সম্পন্ন, প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও মনোহরদী থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাহতাবুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৯৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার। মনোহরদীতে সাগরদী বাইপাস সড়কে খিদিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বাংলার জমিনে ফ্যাসিবাদকে আর বরদাশত করা হবে না: জামায়াত আমির

Reporter Name / ১১২ Time View
Update : রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদীরা বিদায় নিয়েছে, ফ্যাসিবাদ এখনও বিদায় নেয়নি। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, ফ্যাসিবাদ কালো না লাল, কোনো ফ্যাসিবাদকে আর বাংলার জমিনে বরদাশত করা হবে না, ইনশাআল্লাহ। কেউ যদি আবার ফ্যাসিবাদের ভাষায় কথা বলেন, কেউ যদি আবার ফ্যাসিবাদীদের মতো আচরণ করেন, তারা কোনও পথ খুঁজে পাবেন, আমরা জানি না। কিন্তু আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, এ দেশের তরুণ, ছাত্র-জনতা এবং মেহনতি মানুষ আর ফ্যাসিবাদকে বরদাশত করবে না। আমরা অতীতে রুখে দিয়েছিলাম আল্লাহর ওপর ভরসা করে। ভবিষ্যতে কেউ মাথা তুললে তাও রুখে দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে আন্দোলনরত ৮ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে জামায়াত আমির ছাড়াও বক্তব্য দেন নায়েবে ৮ দলের শীর্ষ নেতারা।

জামায়াতের আমির বলেন, আমরা কোনো বিশেষ দলের বিজয় চাচ্ছি না, ৮ দলেরও বিজয় চাচ্ছি না। আমরা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিজয় চাই। সেই আকাঙ্ক্ষার বিজয় হবে কোরআনের আইনের মাধ্যমে, ইনশাআল্লাহ। এটা প্রমাণিত হয়েছে, এর বাইরে গিয়ে কোনও কিছু দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত মানুষ স্বস্তিতে কথা বলতে পারেনি। বাংলাদেশের মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা ছিল না। বাংলাদেশের মানুষ নির্যাতন, অবিচারের শিকার হয়ে কোথাও সামান্যটুকু বিচার পায়নি। বাংলাদেশ দুর্নীতিতে ভেসে গিয়েছিল। দেশের টাকা লুণ্ঠন করে বিদেশে পাচার করা হয়েছিল; এক নয়, দুই নয় ২৮ লাখ কোটি টাকা। 

তিনি আরও বলেন, তারা রাস্তাঘাট ও দালান তৈরি করেছিল, রডের বদলে বাঁশ দিয়ে। একবার একটা মেয়েকে বলতে শুনলাম, আজ যদি কবি বেঁচে থাকতেন তিনি বলতেন, বাঁশ বাগানের মাথার ওপর চাঁদ উঠেছে ওই, চাঁদের জায়গায় চাঁদ তো আছে বাঁশগুলো সব কই। ফ্যাসিবাদীরা আমাদের উন্নয়নের গল্প শোনাতেন। বাংলাদেশ এখন সিঙ্গাপুর, বাংলাদেশ এখন কানাডা। হ্যাঁ বাংলাদেশ কানাডা হয়েছে, তাদের জন্য। এই ফ্যাসিবাদ শুধু প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলকে আঘাত করেনি। তারা বড় আঘাত করেছে আলেম-ওলামার ওপর। হেফাজতের নেতারা সারা দেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন। আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসুলের বিরুদ্ধে কিছুসংখ্যক বেয়াদব প্রকাশ্যে চর্চা করেছিলেন। তাদের জবাব দেওয়ার জন্য শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করেছিলেন। তাদের হত্যা করা হয়েছিল। ৫ মে হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী উপহাস করে বলেছিলেন, কেউ মারা যায়নি। ওইখানে লাল রঙের তরল পদার্থ দেখা গেছে, সেটা মোল্লা মৌলভীরা রঙ ছিটকিয়ে রেখেছিল। লজ্জা, মানুষ খুন করার পর রক্ত নিয়ে উপহাস। এটিই ছিল তাদের বৈশিষ্ট্য।

সমাবেশে ৮ দলের ঘোষিত পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো— জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন, জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি চালু, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সমান সুযোগের পরিবেশ নিশ্চিত করা, বিগত সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে অভিযুক্ত জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts