• শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
শিক্ষকদের যেন দপ্তরে দপ্তরে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ সময় ঘুরতে না হয়: শিক্ষামন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১২ নির্দেশনা পলাশে কচুরিপানায় বন্ধ খাল নিজ উদ্যোগে পরিষ্কার করলেন যুবদল নেতা মাসুদ খাঁন বৈধ সমিতি কল্যাণ তহবিলের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে, সেটি চাঁদাবাজি নয় রিজওয়ানা-খলিলুরকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের মনোহরদীতে টপসয়েল কাটায় অভিযান, ভেক্যু মেশিন-ট্রলি-ব্যাটারি জব্দ দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারি চিকিৎসকদের প্রাইভেট চেম্বার করলে লাইসেন্স স্থগিতের হুঁশিয়ারি :স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রিজওয়ানাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও খলিলুরকে অপসারণের দাবি জামায়াতের কর্মকর্তা অনুপস্থিত, বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

বাংলাদেশের বিচারের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ: চীফ প্রসিকিউটর

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের বিচারের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ। দেশের ইতিহাসে সিরিয়াল কিলার হিসেবে যে ব্যক্তি সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করেছেন, তেমন একজনের বিচার এই ট্রাইব্যুনালে চলছে। জিয়াউলের বিরুদ্ধে বলপূর্বক অপহরণ-গুম করে মানুষদের হত্যা করার যে অভিযোগ প্রসিকিউশন এনেছে, সে মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ইকবাল করিম ভূঁইয়া। তিনি অত্যন্ত আলোচিত, মেধাবী ও অত্যন্ত দূরদর্শী একজন সেনাপ্রধান ছিলেন। জবানবন্দিতে কীভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব নষ্ট করা হয়েছে; তা তুলে ধরেছেন জবানবন্দিতে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া।

চীফ প্রসিকিউটর বলেন, একজন সাবেক সেনাপ্রধান হিসেবে সেনাবাহিনীকে রক্ষা করার জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, তিনি সেই ব্যবস্থাগুলো কীভাবে গ্রহণ করার চেষ্টা করেছেন এবং তার চেষ্টাগুলোকে কীভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তারিক আহমেদ সিদ্দিকের নেতৃত্বে একটা যে চক্র তৈরি হয়েছিল, তারা কীভাবে এটাকে ব্যর্থ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন সেই কথাগুলো আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন তিনি। এছাড়া কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদ তৈরির মাধ্যমে একটা ডিপ স্টেট তৈরি করা হয় এবং সেনাবাহিনীর কমান্ডের বাইরে আরেকটি কমান্ড স্ট্রাকচার তৈরি করা হয়। সেই কমান্ড স্ট্রাকচারকে দিয়ে সেনাবাহিনীর কোনো অংশকে দিয়ে তাদের নানা ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম করা হয়েছে বলে তিনি সাক্ষ্যতে বলেছেন। সর্বোপরি সাবেক এই সেনাপ্রধান আজ যার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন, তিনি সেই সময়ে কর্নেল জিয়া নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি কীভাবে মানুষ হত্যা করেছেন, র‍্যাবে গিয়ে গুমপূর্বক মানুষ হত্যার ব্যাপারে তার যে দক্ষতা ও বেপরোয়া মনোভাব ছিল, সেসব বিষয়ে আদালতে তুলে ধরেছেন বলে জানান তিনি।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts