• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
বেলাবোতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ আরএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহায়তায় ৭৫টি হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেলেন প্রকৃত মালিকরা – IPCSBDPress বাংলাদেশ ব্যাংক যথেষ্ট স্বাধীন, আইন সংশোধন এ সরকারের মেয়াদে বাস্তবসম্মত নয় বাসস এমডির পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ডিআরইউ’র বিকাশ-নগদ-রকেটে ১০০০-এর বেশি লেনদেন করা যাবে না, দিনে লেনদেন ১০ বার ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার রাজনীতি আর চলবে না: আমির খসরু সাদা নয়, রঙিন ফুলকপিই বেশি স্বাস্থ্যকর নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাজশাহীতে যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ – IPCSBDPress বাংলাদেশের বিচারের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ: চীফ প্রসিকিউটর একটি দল বলছে ১২ তারিখ পর্যন্ত চাঁদাবাজি করা যাবে না, মানে পরে শুরু হবে: আসিফ মাহমুদ

প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ‘স্বায়ত্তশাসিত’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন


গণশিক্ষা উপদেষ্টা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে একটি ‘স্বায়ত্তশাসিত’ বা অটোনোমাস হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও অনেক বিদ্যালয় চমৎকার কাজ করছে। যদি প্রতিটি বিদ্যালয় অটোনোমাস বডির মতো কাজ করতে পারে, পাশাপাশি যোগ্য প্রধান শিক্ষকগণ অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে টিমওয়ার্কের মাধ্যমে এগোতে পারেন, তবে শিক্ষার মান আমূল বদলে যাবে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেশা-বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার প্রভাব মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি-নেপ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান এবং নেপ-এর মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ। 

গণশিক্ষা উপদেষ্টা জানান, সরকার বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় বাজেট ও ইনপুট দেবে। পাশাপাশি একটি ‘তৃতীয় পক্ষ’ ডিজাইন করা হয়েছে যা পরিবীক্ষণ ইউনিট হিসেবে একাডেমিক অ্যাসেসমেন্ট করবে। এই ইউনিট শিক্ষার্থীদের অর্জন ও যোগ্যতা নিয়ে গবেষণা করে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করবে। শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে জেলা পর্যায়ে নিয়োগ ও বদলি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা প্রসঙ্গে গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আমাদের বড় সমস্যা সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায়। আমরা ডিজিটালাইজেশনের কথা বললেও অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ ডেটা পাওয়া যায় না এবং প্রযুক্তির প্রয়োগে ফাঁকি রয়ে গেছে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে মানুষের জীবন সহজ ও স্মার্ট করতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বছরে ৩৭ ধরনের অ-পেশাদার বা নন-প্রফেশনাল কাজ করেন। এতে একজন শিক্ষক মাসে গড়ে ২৪ ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন। এর ফলে ৯০ শতাংশ শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারছেন না। আর ৮৫ শতাংশ শিক্ষক পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস নিতে পারছেন না। শিক্ষকদের এই অ-পেশাদার কাজে ব্যবহারের ফলে বছরে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের প্রায় ১৯ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন টাকা সমমূল্যের শ্রমের অপচয় হচ্ছে, যার সুফল শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে না। এমনকি ৯২ শতাংশের বেশি শিক্ষক অতিরিক্ত কাজের চাপে মানসিক ক্লান্তি বা ‘বার্নআউট’-এ ভুগছেন।

গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, এই গবেষণার উদ্দেশ্য হলো- সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা, যাতে শিক্ষকদের শিক্ষার বাইরে অন্য কাজে ব্যবহার না করার জন্য একটি ইতিবাচক সামাজিক চাপ তৈরি হয়। ‘টিচিং আওয়ার প্রোটেকশন পলিসি’ প্রণয়ন এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী বা ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগের ওপর জোর দেন তিনি।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts