• মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
নতুন সরকারে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ১৮ মাস পর আ.লীগের ঝটিকা মিছিল পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় কার্যালয়ে আগুন – IPCSBDPress স্বাস্থ্যমন্ত্রী হলেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল দেশ ও জনগণের স্বার্থই আমাদের কাছে প্রথম: তারেক রহমান কী, কেন এবং কীভাবে? ব্যাখ্যা দিলেন ডা. তাসনিম জারা – IPCSBDPress জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে এনসিপি, ধন্যবাদ জানালেন প্রধান উপদেষ্টা নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে মদনপুরে দিনব্যাপী রান্নার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত জুলাই সনদের নির্দেশনামতে ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে নরসিংদীতে ৫ টি আসনে ৪১ প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত রমজান মাসে নিম্ন ও মাধ্যমিক বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

পরপর আট বলে ছক্কা, দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড আকাশের – IPCSBDPress

Reporter Name / ৫১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন


আপডেটঃ ১১:০০ পূর্বাহ্ণ | নভেম্বর ১০, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ

রনজি ট্রফিতে ইতিহাস গড়লেন মেঘালয়ের ব্যাটসম্যান আকাশ কুমার চৌধুরী। পরপর আট বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির নতুন রেকর্ড গড়েছেন। অরুণাচল প্রদেশের বিপক্ষে মাত্র ১১ বলেই পঞ্চাশ পূর্ণ করে ক্রিকেটবিশ্বকে চমকে দিয়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার।অরুণাচলের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মেঘালয়ের ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করেন। ওপেনার অর্পিত ভাটেওয়াড়া করেন ২০৪ রান, অধিনায়ক কিশান লিংডো যোগ করেন ১১৯ রান এবং রাহুল দালাল সেঞ্চুরি করে থামেন ১৪৪ রানে। তাদের সম্মিলিত ব্যাটিং নৈপুণ্যে মেঘালয় গড়ে ৬২৮ রানের বিশাল সংগ্রহ।

তবে ইনিংসের আসল চমক আসে আট নম্বরে নামা আকাশ কুমার চৌধুরীর ব্যাট থেকে। প্রথম তিন বলে দুটি সিঙ্গল নেওয়ার পর ১২৬তম ওভারে অরুণাচলের স্পিনার লিমার দাবির করা পুরো ওভারটি ছক্কায় ভরিয়ে দেন তিনি। পরের দুই বলেও হাঁকান আরও দুটি ছক্কা—ফলে টানা আট বলেই ছয় ছক্কার এক অভাবনীয় কীর্তি গড়েন আকাশ। মাত্র ১১ বলেই পঞ্চাশ স্পর্শ করে তিনি ভাঙেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সব পূর্ববর্তী রেকর্ড।এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল ৯ বলে (টি-টোয়েন্টি), ২১ বলে (টেস্ট) এবং ১৬ বলে (ওয়ানডে)। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আকাশের ১১ বলের ফিফটি এখন সেই তালিকার শীর্ষে।রেকর্ড গড়ার পর আকাশ বলেন, “আমি কোনো রেকর্ডের কথা মাথায় নিয়ে খেলিনি।

দলের পরিকল্পনা ছিল দ্রুত রান তুলে ডিক্লেয়ার দেওয়া, তাই আক্রমণাত্মকভাবে খেলেছি। প্রথম তিনটা ছক্কার পর মনে হয়েছিল ছ’টাও মারতে পারব, কিন্তু টানা আটটা হবে ভাবিনি। শেষ ম্যাচে বিহারের বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরি করেছিলাম, সেটাই আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।”আকাশের এই ইনিংস শুধু রনজি ট্রফিতেই নয়, ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেট ইতিহাসেও এক নতুন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

IPCS News : Dhaka :


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts