• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে দ্য আল-হেরা ফাউন্ডেশনের কুইক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে খাল খনন সম্পন্ন, প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও মনোহরদী থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাহতাবুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৯৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার। মনোহরদীতে সাগরদী বাইপাস সড়কে খিদিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ স্লোগানে মনোহরদীতে ফল মেলা অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে ২০ বছরের জমি বিরোধে দুর্ভোগে কয়েকটি পরিবার মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। মনোহরদীর চর আহাম্মদপুরে পানিবন্দি মানুষের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ। মনোহরদীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

নরসিংদীতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সাফল্য: উপস্থিতি বৃদ্ধি ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে নতুন দিগন্ত

Reporter Name / ২৫৯ Time View
Update : রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন

[ad_1]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ধরে রাখা ও পুষ্টির ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে নরসিংদী জেলার ছয়টি উপজেলায় চালু হওয়া ‘স্কুল ফিডিং কর্মসূচি’ ইতোমধ্যে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। জেলাজুড়ে এই উদ্যোগ শুধু ছাত্র-ছাত্রীদের দৈনিক উপস্থিতির হারই বাড়ায়নি, শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন উদ্দীপনা তৈরি করে অভিভাবকদেরও আস্থা অর্জন করেছে।

স্থানীয় শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি চালুর পর জেলার ছয়টি উপজেলার ৭৭৩টি বিদ্যালয়ে ১ লাখ ৫১ হাজার শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার গড়ে ১০% থেকে ১৫% পর্যন্ত বেড়ে গেছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক এলাকাগুলোতে যেখানে নিয়মিত অনুপস্থিতির হার তুলনামূলক বেশি ছিল, সেখানে পরিবর্তনটি চোখে পড়ার মতো।

সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমদাদুল হক বলেন, “শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে এই কর্মসূচি একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ। এখন অনেক অভিভাবকই তাদের সন্তানদের নিয়মিত স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী, কারণ তারা জানেন শিশুরা প্রতিদিন পাবে একটি পুষ্টিকর খাবার।”

কর্মসূচির আওতায় প্রতি শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে তিন দিন বন রুটি ও সিদ্ধ ডিম, এক দিন বন রুটি ও ইউএইচটি দুধ, এবং এক দিন ফোর্টিফাইড বিস্কুট ও কলা সরবরাহ করা হচ্ছে বলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ মো. আমিরুল হক শামীম বলেন, “এই উদ্যোগ শুধু উপস্থিতি বাড়াচ্ছে না, পাশাপাশি গ্রামীণ শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সহায়ক হচ্ছে। নিয়মিত ও মানসম্মত খাবার পাওয়ায় শিশুরা ক্লাসে বেশি মনোযোগী হচ্ছে, যা তাদের মেধার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

রায়পুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর অভিভাবক জানান, “আগে আমার মেয়ে স্কুলে যেতে চাইত না। এখন নিজে থেকেই প্রস্তুত হয়ে যায়। আমরা গরিব মানুষ—এখনকার বাজারে স্কুলের খাবারটা আমাদের জন্য অনেক বড় সহায়তা।”

তবে কর্মসূচির পূর্ণ সফলতার পথে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে। কিছু বিদ্যালয় থেকে খাবার সময়মতো সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব সমস্যা সমাধানে স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা কর্মকর্তারা নিয়মিত মনিটরিং চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সব তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নরসিংদীর স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রমাণ করেছে—শিক্ষার পাশাপাশি পুষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি আরও দৃঢ় করা সম্ভব।

[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts