• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
ফতুল্লায় ৪০০ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানাকে জরিমানা পাইকপাড়ায় ২০৮ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে ২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড নারায়ণগঞ্জে মানব পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সেনসিটাইজেশন কর্মশালা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে জেলা প্রশাসকের ফলোআপ পরিদর্শন রূপগঞ্জে বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন বন্দরে গ্যাস বিস্ফোরণ: একে একে চলে গেল পরিবারের ৪ সদস্য বন্দরে ৯ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানি: অভিযুক্ত গ্রেপ্তার – Zaawansowana Platforma Rozrywki Online Dla Wymagających Graczy

গণভোট আইন প্রণয়ন জরুরি, তাহলে ইসির দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হবে: সিইসি

Reporter Name / ১১৯ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেছেন, গণভোট পরিচালনার জন্য একটি স্পষ্ট আইন প্রণয়ন জরুরি। কীভাবে গণভোট হবে—সেই আইনটা আগে হওয়া দরকার। আইন হলে তখন আমাদের একটা দায়বদ্ধতা আসবে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনের সংলাপে সভাপতির বক্তব্যে সিইসি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, সকালে বহু বক্তা গণভোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু আইন ছাড়া গণভোটের পদ্ধতি, ব্যালট, ব্যালট বাক্স বা যাবতীয় কাঠামো নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়। রেফারেন্ডাম আইন এর আগে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ করেছিলেন, এখন আবার আইন প্রণয়ন প্রয়োজন। আইন হওয়ার পর ইসি এ বিষয়ে অনুশীলন ও প্রস্তুতি শুরু করবে।

পাকিস্তান আমল থেকে নির্বাচন দেখে আসার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়েই অগ্রসর হতে হবে।  রাজনৈতিক বাস্তবতার হিট ওয়েভটা আমাকে ফিল করতে হয়। সামাজিক বাস্তবতাও সেরকম। তাই কম কথা, কাজ বেশি—এই নীতিতে আমরা এগোচ্ছি।

তিনি আরও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সিসিটিভি ও সাংবাদিকদের স্বাধীন উপস্থিতিকে গুরুত্বপূর্ণ। গুড অবজারভার থাকলে, ভালো সাংবাদিকদের জন্য উন্মুক্ত রাখলে স্বচ্ছতা বাড়বে। লুকিয়ে নির্বাচন করতে চাই না। সাংবাদিকদের ক্যামেরা থাকবে, আমাদের সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। আমরা স্বচ্ছতা চাই। ইসি ন্যায়নীতি, আইন ও বিধি বিষয়ে কোনো আপসে যাবে না। নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে কমিশন অটল থাকবে। এজন্য রাজনৈতিক দল, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং ভোটারদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

দুপুরের সেশনে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি এবং বাসদ মার্কসবাদী (নতুন দল)-এর সঙ্গে ইসির সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।  সকালে অংশ নেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ মাইনোরিটি জনতা পার্টি, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণসংহতি আন্দোলন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টি। এর আগে ১৩, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর দুই সেশনে ১২টি করে মোট ৩৬টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।




আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

Most Viewed Posts